প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গীবত করা মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া সমতুল্য পাপ

আমিন মুনশি: মুসলমানের গীবত: কোনো মুসলমান অপর মুসলমানের গীবত করা সম্পূর্ণ হারাম। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, “আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের অসাক্ষাতে নিন্দা করো না। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে? প্রকৃতপক্ষে তোমরা তো এটাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তওবা গ্রহণকারী পরম দয়ালু।” (সূরা হুজরাত, আয়াত-১২)

অমুসলিম নাগরিকের গীবত: ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী অমুসলিম নাগরিকের গীবত করাও হারাম। কেননা, অমুসলিম নাগরিক ইসলামি রাষ্ট্রে মান-মর্যাদা ও ইজ্জত আবরু রক্ষার ক্ষেত্রে সমমর্যাদা সম্পন্ন। তাই এদের মান-সম্মানে আঘাত লাগে এরূপ কাজ করা হারাম।

যুদ্ধরত অমুসলিম শত্রুর গীবত: ইসলামি আইন শাস্ত্রের গ্রন্থাবলী থেকে জানা যায় যে, অমুসলিম শত্রুর গীবত করা জায়েয। তাফসীরে কাবীরে ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী সূরা হুজুরাতের ১২নং আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন, কাফিরের গীবত করা জায়েজ। সম্ভবত তিনি কাফির বলতে যুদ্ধরত শত্রু কাফিরদেরই বুঝিয়েছেন। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলাই সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।
জীবিত ব্যক্তির গীবত: জীবিত ব্যক্তির গীবত করা হারাম। যা উপরোক্ত তিন প্রকার বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মৃত ব্যক্তির গীবত: মৃত ব্যক্তির গীবত করার হারাম। তদ্রুপ মৃত ব্যক্তিকে গালি দেয়া, মন্দ বলা, তার দুর্নাম-বদনাম করাও হারাম। যদিও সে জীবদ্দশায় পাপকর্মে লিপ্ত থাকে। এ প্রসঙ্গে রাসূল (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে তাকে ছেড়ে দাও এবং তার গীবত করো না। আর তিনি গালি গালাজ প্রসঙ্গে বলেছেন, তোমরা মৃতদের গালি দিও না, কারণ তারা তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান পাওয়ার স্থলে পৌঁছে গেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত