প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মার্কেন্টাইল ব্যাংক
জালিয়াতির প্রতিটি স্তরে ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়ী

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভয়াভয় জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে। আর এসব অনিয়মের কথা স্বীকারও করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের যোগসাজোশ ছাড়া এই অধরণের অনিয়ম অসম্ভব। তাই ব্যাংকটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া জালিয়াতির প্রতিটি স্তরে ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়ী বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রপ্তানির বিপরীতে সরকারের দেওয়া প্রণোদনার অর্থ হাতিয়ে নিতে সহায়তা করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে দেখা গেছে, রপ্তানির অর্থ দেশে আসার আগেই সরকারি তহবিল থেকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এই অর্থ বিতরণ করেছে ব্যাংকটির প্রধান শাখা। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে ব্যাংকটির প্রধান শাখায় যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে রাজি হয়নি কেউ।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে দেখা যায়, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সহযোগীতায় ৪০ কোটি টাকার মধ্যে কুলিয়ারচর সী ফুড কক্সবাজার হাতিয়ে নেয় প্রায় ১৯ কোটি, টিম্যাক্স জুটমিল লিমিটেডকে দেওয়া হয় ১০ কোটি টাকা, রাতুল গ্রুপ সাড়ে ১০ কোটি টাকা, ইউটা নিটিং ৪১ লাখ টাকা এবং ক্রিয়েটিভ উলওয়্যারকে দেওয়া হয় ২০ লাখ টাকারও বেশি। আর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কথা বলতে রাজি হয়নি।

তবে টিম্যাক্স জুটমিল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজ্জাম্মেল হক এফসিএ মোবাইল বলেন, এই অভিযোগটি সত্য নয়। আর আপনি যে তথ্য দিয়েছেন সেই তথ্যগুলো সঠিক নয়।

এসআইবিএল-এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান বলেন, ব্যাংকের প্রণোদনা ছাড়া জালিয়াতির অর্থ হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব না। জালিয়াতির প্রতিটি স্তরে ব্যাংকের কর্মকর্তরা দায়ী। আর এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, টাকা-পয়সার ব্যাপারে যদি অনিয়ম হয়, তাহলে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে।

সূত্র : যমুনা টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ