প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুলনায় সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে

খুলনায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু বিএনপি বলেছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। বিএনপি ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন এবং মিথ্যা বলাটা তাদের চরিত্র হয়ে গেছে। বাংলাদেশে যতগুলো মিডিয়া রয়েছে এবং যারা ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন, তারা ভোট কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে। তারা সবাই দেখেছে ভোট কেন্দ্রে কোন দুর্নীতি হয়নি। বাংলাদেশের মানুষেরা দেখেছে, সেখানে কত সুন্দরভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। বিএনপির সিটি নির্বাচন বা পৌরসভা নির্বাচনে পরাজয় হলেই তারা মনে করে, সেখানে ভোট চুরি হয়েছে।

নির্বাচনে জয় লাভ করলে তখন তারা বলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। বিএনপির কোন কথার ভিত্তি নেই। এখন বিএনপির মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব ও তাদের নেতা-কর্মীসহ প্রেসক্লাবে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচারের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এ মিথ্যাচার, প্রচারণা দেশের মানুষেরা আর শুনতে চায় না। খুলনা সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এবং ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হয়েছে। বিএনপি জনকল্যাণমুলক কাজ করেনি, যে কারণে জনগণ তাদরকে ভোট দিতে চায় না। দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতার জন্য ভোটাররা আ’লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। তাছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

যার ফলে দেশের মানুষ এখন শান্তিতে বসবাস করতে পারছেন। বিএনপির বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে, দেশের সম্পদ লুটপাট করা, খুন, গুম করা। তাদের কাছ থেকে এ দেশের মানুষেরা কিছুই প্রত্যাশা করে না। খুলনা সিটি নির্বাচনী প্রচারণা চলেছে ২১ দিন। সেখানে কোন খুন, গুম কিংবা কেউ আহত হয়নি। তাই নির্বাচনের জন্য কোন সেনা মোতায়েনের দরকারও হয়নি। এমনকি সেখানে কোন ভোট কেন্দ্র দখলও হয়নি। এ অবস্থায় কেন সেনা মোতায়েন করা হবে?  কারো একতরফা বক্তব্যে তো আর সেনা মোতায়েন হবে না। সেনা মেতায়েন তখনই করা হয়, যখন কোন ভোট কেন্দ্রে সমস্যা হয়ে থাকে। বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভ না করায় এ ধরণের মিথ্যাচার মিডিয়ার সামনে তুলে ধরছে।

পরিচিতি: সাধারণ সম্পাদক, যুব মহিলা লীগ/ মতামত গ্রহণ: রাশিদুল ইসলাম মাহিন/ সম্পাদনা: জাফরুল আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত