প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘পথচারী, ড্রাইভার কিংবা আইন প্রয়োগকারী কেউই ট্রাফিক আইন না মানায় যানজটে নাকাল হচ্ছে মানুষ’

আশিক রহমান : পথচারী, ড্রাইভার কিংবা আইন প্রয়োগকারী কেউই ট্রাফিক আইন মানে না। যে কারণে নগরবাসী যানজটে নাকাল হচ্ছে মনে করেন সাবেক সেনাপ্রধান ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক লে. জে. (অব.) এম. হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক। আমাদের অর্থনীতিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নগরীর যানজট বা ট্রাফিক জ্যামের বেশ কয়েকটি কারণ বা দুর্বলতা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দেশে ট্রাফিক আইন থাকলেও আইনের প্রয়োগ নেই। ট্রাফিক আইন রয়েছে, কিন্তু সেই আইন কেউ মানে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যারা ব্যবস্থা নেবে তারাও আইন মানে না। আর যে আইন মানার কথা সেও মানে না। গাড়ির ড্রাইভার আইন মানে না, পথচারী কিংবা আইন প্রয়োগকারীরাও ট্রাফিক আইন মানে না। এর ফলে নাকাল হচ্ছে মানুষ। আইন না মানলে আইন থাকবে? থাকবে না। তিনি আরও বলেন, অসহনীয় যানজট বা ট্রাফিক জ্যাম থেকে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বাচবিছার করা যাবে না। আমি জেনারেল, আমার জন্য একরকম আইন, সাধারণের অন্য এমনটি করা যাবে না। আইনকে আইন হিসেবেই দেখতে হবে। এখন একজন রিকশাওয়ালাকে যদি পানিশমেন্ট দেওয়া হয় আইন অমান্য করার জন্য মিডিয়ায় হৈচৈ শুরু হবে, কেন তাকে ধরা হলো, সে একজন অসহায় মানুষ ইত্যাদি। এমনটি করা যাবে না।

লে. জে. (অব.) এম. হারুন-অর-রশিদ বলেন, যারা আইন প্রয়োগ করেন তাদেরকে প্রশিক্ষিত হতে হবে। তাদের জানতে হবে যে, ট্রাফিক কন্ট্রোলটা আসলে কী, কীভাবে ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে হয়। রাস্তায় দায়িত্ব পালন করছে আনসার, ভলিন্টিয়ার, পুলিশ কাজ করে। তাদের অনেকেই যখন তখন যেদিকে ইচ্ছে রাস্তা খুলে দেয়, আবার বন্ধও করে দেয়। এমনটি যারা করেন তাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় ট্রাফিক কী জিনিস। তিনি বলেন, পুলিশের কনস্টেবল এক-দেড় ঘণ্টা কাজ করে পরে ক্লান্ত হয়ে রাস্তার কোণায় গিয়ে বসে থাকে, আনসার সদস্যকে পাঠিয়ে দেয় দায়িত্ব পালন করতে। এভাবে একটি রাজধানীর ট্রাফিক কন্ট্রোল হয় না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ