প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিআরটিএ’তে পদে পদে ভোগান্তি

সাজিয়া আক্তার: বিআরটিএ’তে সেবা নিতে গিয়ে পদে পদে ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। ঘুষ দিলেই মিলছে কাজ এমন অভিযোগ সেবা গ্রহণকারীদের।

সোমবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইস্টিটিউশনে দুদকের গণশুনানিতে এসব অভিযোগ করেছেন তারা। গণশুনানিতে রীতিমত তোপের মুখে পরেন বিআরটিএ’র কর্মকর্তারা। বিআরটিএর সেবার মান নিয়ে গণশুনানি আয়োজন করে দুদক।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, শুনলাম বিআরটিএ আগের থেকে ভালো হয়ে গেছে, কিন্তু বাইরের যে রূপ দেখলাম তা সেখানে দালালে ভরপুর। প্রতিটি বাসে ভাড়া আদায়ের জন্য বিআরটিএর অনুমোদিত কোনো টিকেট প্রদান করা হয় না।
একজন গরিব অসহায় ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে, রিপোর্ট সংগ্রহ করতে তাকে জেলায় যেতে হয়। এবং তিন থেকে চার মাস সময় লাগে। এছাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়।

এছাড়া সড়কে অব্যবস্থাপনায় বিআরটিএর মনিটরিং না থাকায় অভিযোগও আনা হয়।

বক্তারা আরো বলেন, এমনকী মেয়াদ উত্তীর্ণ অটোরিক্সাগুলো ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় চলাচল করেছে এইগুলো বন্ধ করা হয়েছে। কিভাবে এই অদক্ষ চালকরা লাইসেন্স পায়।

নিরাপদসড়ক চাইয়ের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, কারো না কারো ভুলের জন্য আমার স্ত্রী মারা গেলো, আমার সন্তান মা ডাক থেকে বঞ্চিত হল, মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত হল।
বিআরটিএর চেয়ারম্যান জানালেন গণশুনানিতে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে নেয়া হবে ব্যবস্থা। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানালেন দুদক কমিশনার।

কমিশনার দুদক ড. নসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারি তাদেরকে আমরাও সাবধান করে দিতে চাই আজকে থেকে আমরা কথা দিলাম আমরা কাউকেই ছাড় দিবো না। সে যত বড় মন্ত্রী, এমপি, চেয়ারম্যান হোক সে ছাড় পাবে না।

সব ক্ষেত্রে বিআরটিএ তে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করলে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করে দুদক।

ডিবিসি টেলিভিশন থেকে মনিটরিং

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত