প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনগণকে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানলেন নজরুল

শিমুল মাহমুদ: বাংলাদেশের গণমানুষকে বৈষম্য নিপীড়ন এবং অধিকারহীনতা থেকে মুক্ত করতে অধিক সংখ্যাক জনগণকে সুসঙ্গত করে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত করার আহবান জানিয়েছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, আজকে বিষয় একটাই তা হলো গণমানুষকে বৈষম্য নিপীড়ন এবং অধিকার হারা থেকে মুক্ত করা আর পথও একটাই সেটা হলো গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এই কঠিন কাজটি এই অতি দরকারি কাজটি এই অনিবার্য কাজটি করতে হলে, জনমতকে সুসঙ্গত করুন অধিক সংখ্যায় জনগণকে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত করুন যাতে প্রয়োজনে গণ অভ্যুত্থান ঘটাতে পারি।

সোমবার(৩০এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতান্ত্রিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি কতৃক আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম বলেন,গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এই কঠিন কাজটি এই অতি দরকারি কাজটি এই অনিবার্য কাজটি বরাবর বিএনপি কী করতে হয়েছে এটাই বাংলাদেশের ইতিহাস।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম শুধু সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য নয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণতন্ত্র রাষ্ট্রের জন্য। যে রাষ্ট্রে মানুষের ওপর মানুষ নিপীড়ন করবেনা বৈষম্য থাকবে না। মানুষ নিশ্চিন্তে নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারবে কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মাথায় আমাদের গণতন্ত্রকে কবর দেয়া হয়েছে। প্রথমে জরুরি অবস্থা চালু করে পরে একদলীয় স্বৈরশাসন চালু করে। সেই গণতন্ত্রের কবরে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাগান রচনা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বেগম খালেদা জিয়ার।

বিএনপির এ নেতা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে বলেন তিনি বলেছিলেন তার পিঠে ব্যথা এবং তার ঘাড়ে ব্যাথা। যে ব্যাথা তার পুরো হাত ও পা কে শক্ত করে ফেলে। প্রচন্ড ব্যাথায় তিনি ঘুমাতে পারেন না। এই পর্যন্ত যতজন ডাক্তার তাকে দেখতে গিয়েছে সবাই বলেছে যে পরিবেশে তাকে রাখা হয়েছে এই পরিবেশ তাকে আরও অসুস্থ করে তুলবে। এবং জরুরি অবস্থায় তাকে এমআরআই, বিশেষ ধরনের ফিজিওথেরাপি করা দরকার এবং সেই অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা দেয়া দরকার।
কারা কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়েছেন কিন্তু সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না অথচ আজকে যিনি সরকার প্রধান তিনি যখন কারা বন্দি ছিলেন, তাকে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে তার পছন্দের ইউনাইটেড হাস্পাতালে চিকিৎসা করতে দেয়া হচ্ছে না এমন কি জেল কর্তৃপক্ষের সুপারিশ মানা হচ্ছে না। আমি বলতে চাই এটা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কোন আচরণ নয়। রাজনৈতিতে প্রতিপক্ষ থাকবে তবে রাজনীতিক প্রতিপক্ষের আচরণ হবে না। তারা পরস্পর বিরোধিতা করবে একজন অন্যজনের সমালোচনা করবে কিন্তু এমন এমন অমানবিক হবে এটা আমরা প্রত্যাশা করি না। আমরা অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দিয়ে তাকে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি

হাজী মোজাম্মেল হক মিন্টুর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শামসুজ্জামান দুদু, ভাইস চেয়ারম্যান -বিএনপি, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য,আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, সঞ্চালক শফিকুল ইসলাম শফিক, এ বি এম মোশারফ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত