প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আর কোনো বিতর্ক করতে ইচ্ছে ছিল না

তারেক রহমান এর বাংলাদেশের পাসপোর্ট ফেরত দেয়া নিয়ে আর কোনো বিতর্ক করতে ইচ্ছে ছিল না। তিনি ও তার পরিবার নিজেকে রাষ্ট্রহীন ঘোষণা করে ব্রিটিশ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন সেটা অনেক পুরোনো কথা। এই সত্য কথাটা বললেও শুধু জামাত বিএনপি নয়, অনেক সুশীল ও দলকানা সাংবাদিকের গায়েও যেন ফোস্কা পরে।

এটা সবাই জানে, বিদেশ ভ্রমণ করতে গেলে পাসপোর্ট লাগে । ২০১৪ সালের জুন মাসে তারেক রহমান বৃটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিবারের সকলের পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন। তারা বাংলাদেশের নতুন কোনো পাসপোর্ট নেননি। বেগম জিয়া ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরব সফর করেছেন। লন্ডন সৌদি আরবে এসে বেগম জিয়ার সাথে সপরিবারে এসে যোগ দিয়েছেন তারেক রহমান। তাহলে এই খানে প্রশ্ন আসা স্বভাবিক তারেক রহমান কোনদেশি পাসপোর্ট/ ট্রাভেল কার্ড নিয়ে সৌদি গিয়েছিলেন ? সাধারণত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো তাদের দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা ব্যক্তিদের জন্যই সাময়িক ট্রাভেল কার্ড ইস্যু করে।

বহু দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধানরা বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আগেও ছিলেন, এখনো আছেন। কেউ কিন্তু নিজ দেশের পাসপোর্ট ফেরত দেননি। নিজেকে রাষ্ট্রহীন ঘোষণা করে নাগরিকত্ব চাইলেই কেবল পূর্বের পাসপোর্ট ফেরত দিতে হয়।

পাসপোর্ট অফিসের ডিজি, আইনজীবী শাহদীন মালিকসহ কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, পাসপোর্টের সঙ্গে নাগরিকত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। দেশে অনেকে আছেন যাদের পাসপোর্ট নেই তারাও দেশের নাগরিক। এই কথাটা সত্য, কিন্তু খুবই সস্তা কথা। কারণ, ওনারা নিজেরাও জানেন, কেউ দেশের বাইরে গেলে তার জাতীয়তার একমাত্র পরিচয় পাসপোর্ট, অন্য কিছু নয়। এই পাসপোর্ট নিয়েই অনেক রোহিঙ্গাও বাংলাদেশী হয়ে গেছেন। আর তারেক রহমান দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে ব্রিটিশ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন।

পরিচয় : প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব/সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ/ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত