প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বাঁচাতে অস্ট্রেলিয়ার ৫’শ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ

রাশিদ রিয়াজ : অস্ট্রেলিয়া সরকার আবহাওয়া পরিবর্তনের বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণ থেকে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বাঁচাতে ৫’শ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। এধরনের বরাদ্দ থেকে কৃষির ধরণ পরিবর্তনে ২০১, পানির গুণাগুণ উন্নত, গবেষণা ও রিফ পুননির্মাণে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে ১’শ ও তারামাছের হাত থেকে রিফ রক্ষায় ৫৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল। আগামী মে’ মাসের বাজেট থেকেই এ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

অস্ট্রেলিয়ার দি গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বা প্রবাল দ্বীপ বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং গত তিরিশ বছরে এর অর্ধেক প্রবাল মারা গেছে।শক্তি-শিল্প মন্ত্রী জোশ ফ্রাইডেনবার্গ জানিয়েছেন, টেলিভিশন সাক্ষাতকারের সাহায্যে উপকূল ও দেশের চাষীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁদের সকলকেই চাষের ক্ষেত্রে অতি-রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেডিমেন্ট, নাইট্রোজেন ও বিষাক্ত রাসায়নিক জলের সঙ্গে মিশে প্রবাল প্রাচীর নষ্ট করে দেয়। অন্যদিকে, স্টারফিশের বংশবৃদ্ধিতে এই রাসায়নিকগুলি অত্যন্ত অনুঘটকের কাজ করে।জলের দূষণ, অম্লতা বৃদ্ধি ও প্রবালভোজী ক্রাউন অফ থ্রনস স্টারফিশের বংশবৃদ্ধির ফলে ব্যারিয়ার রিফ এখন বিপন্ন।

১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ তালিকায় স্থান পায় গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ। প্রায় ৩৪৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই প্রবাল প্রাচীর। শেষ বছরেই বিলুপ্তির তালিকায় একদম শীর্ষস্থানে জায়গা দখল করে নেয় বিশ্বের এই বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।

বর্তমানে, ধ্বংসের মুখে প্রবাল প্রাচীর। বিশেষ করে, এক বিশেষ ধরণের স্টারফিশের বংশবৃদ্ধির ফলে প্রবাল প্রাচীর এখন প্রায় সঙ্কটের মুখে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, এই স্টারফিশদের প্রধান খাদ্যই হল প্রবাল। এছাড়া উপকূলের কৃষিক্ষেত্র, চিনি-কল ও গবাদি পশুর খামারগুলি থেকেও প্রবাল প্রাচীর আজ সঙ্কটে। শুধু তাই নয়, কারখানা থেকে নির্গত তেল, আবর্জনাও বিশ্বের বৃহত্তম প্রাচীরের ২৬০০০ কিমি অংশ ধবংসের মুখে।স্পুটনিক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত