শিরোনাম
◈ কুমিল্লায় অস্ত্র হাতে স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল, ‘এসবিএস’ গ্রুপের ৪ সদস্য গ্রেফতার ◈ ইয়ামাল-রাফিনিয়ার জোড়া গোল, বা‌র্সেলোনা ম‌্যাচ জিত‌লো ৬-১এ  ◈ হঠাৎ শ্রমিক বিক্ষোভ নেপথ্যে কী? ◈ ইন্টার মিলা‌নের অপরাজিত যাত্রা থামাল এসি মিলান ◈ রাজধানীর বনানী থেকে সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজ গ্রেফতার ◈ বর্ষসেরা পুরস্কারে ফুটবলের ছোঁয়া আনছে আইসিসি ◈ লেবাননে সামরিক অবস্থান শক্তিশালী করতে পাহাড় কেটে নতুন সড়ক নির্মাণ করছে ইসরায়েলি বাহিনী ◈ ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা ভাঙার দায়ে পাকিস্তানি আইনজীবী দম্পতির ১০ বছরের কারাদণ্ড ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে আজ ফের সড়কে শ্রমিকরা, গাজীপুরে ৫ প্লাটুন বিজিবি ◈ সিলেট টেস্টের জন‌্য বাংলা‌দেশ দল ঘোষণা বি‌সি‌বির 

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেফালী ও কথিত প্রেমিক মোমেন পরস্পরকে দায়ী করে জবানবন্দী

এম এ হাকিম ভূঁইয়া, আড়াইহাজার: পরকীয়ার জের ধরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শিশু হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি কথিত প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন ৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ২৮ এপ্রিল (শনিবার) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মেহেদি হাসানের কাছে এবার শেফালীকে হত্যার জন্য দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন।

এর আগে ১৪ এপ্রিল (শনিবার) আদালতে পাঠালে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে দায়ী করে একই আদালতে জবানবন্দী দিয়েছিলেন শেফালী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক কাসেম আদালতের বরাত দিয়ে জানান, হৃদয়কে হত্যার দিন রাতে রাশেদুল ইসলাম মোমেন তার প্রেমিকা শেফালী আক্তারের ঘরে রাত্রিযাপন করেন। এক পর্যায়ে শেফালী মোমেনকে বিয়ের চাপ দেয় এবং অন্যত্র বসবাসের কথাও বলেন। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে জানিয়ে বিয়েতে অপারগতা জানালে শেফালী আক্তার পরক্ষণেই তার সন্তানদের হত্যার কথা বলেন। পরে ঘুমন্ত দুই সহোদর হৃদয় ও জিহাদের শরীরে কেরোসিন ঢেলে মা আগুন দেয়। এসময় প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন হত্যায় সহযোগিতা করেছিলেন বলে জানান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, একে অপরকে দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন। তবে হত্যাকান্ডের সঙ্গে দু’জনই জড়িত রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল রোববার ভোররাতে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের মেরাকোনা এলাকা থেকে দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয়ের ঘর থেকে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে গ্রেফতার করেন। এর আগে ১৩ এপ্রিল ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার হন মা শেফালী।

  • সর্বশেষ