শিরোনাম
◈ কেরানীগঞ্জে সেলুনে ফরহাদকে কুপিয়ে হত্যা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হামলার দৃশ্য ◈ গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ তারেক রহমানকে ভারত কেন দুটি আমন্ত্রণ দিয়েছিল, জানাল দিল্লি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ স্পীকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্ব

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেফালী ও কথিত প্রেমিক মোমেন পরস্পরকে দায়ী করে জবানবন্দী

এম এ হাকিম ভূঁইয়া, আড়াইহাজার: পরকীয়ার জের ধরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শিশু হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি কথিত প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন ৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ২৮ এপ্রিল (শনিবার) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মেহেদি হাসানের কাছে এবার শেফালীকে হত্যার জন্য দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন।

এর আগে ১৪ এপ্রিল (শনিবার) আদালতে পাঠালে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে দায়ী করে একই আদালতে জবানবন্দী দিয়েছিলেন শেফালী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক কাসেম আদালতের বরাত দিয়ে জানান, হৃদয়কে হত্যার দিন রাতে রাশেদুল ইসলাম মোমেন তার প্রেমিকা শেফালী আক্তারের ঘরে রাত্রিযাপন করেন। এক পর্যায়ে শেফালী মোমেনকে বিয়ের চাপ দেয় এবং অন্যত্র বসবাসের কথাও বলেন। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে জানিয়ে বিয়েতে অপারগতা জানালে শেফালী আক্তার পরক্ষণেই তার সন্তানদের হত্যার কথা বলেন। পরে ঘুমন্ত দুই সহোদর হৃদয় ও জিহাদের শরীরে কেরোসিন ঢেলে মা আগুন দেয়। এসময় প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন হত্যায় সহযোগিতা করেছিলেন বলে জানান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, একে অপরকে দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন। তবে হত্যাকান্ডের সঙ্গে দু’জনই জড়িত রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল রোববার ভোররাতে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের মেরাকোনা এলাকা থেকে দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয়ের ঘর থেকে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে গ্রেফতার করেন। এর আগে ১৩ এপ্রিল ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার হন মা শেফালী।

  • সর্বশেষ