শিরোনাম
◈ অস্ত্র, ডগ স্কোয়াডসহ নতুন সক্ষমতা পাচ্ছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ◈ পরিচয় জেনেও বিএসএফের পুশ ইন, সন্তানসহ সেই ভারতীয় নারী পুলিশ হেফাজতে ◈ আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, মিলবে নানা বিশেষ সুবিধা ◈ ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরঘেরা কারাগার বানাতে চায় ইসরায়েল ◈ চীনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু ২৯ দেশের ‘ওয়াইকো’ এআই জোট ◈ স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে ইসিতে জামায়াতের প্রস্তাব ◈ পরীক্ষা নিয়ে বিতর্কের জবাব, ট্রলকারীদের উদ্দেশে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ সামরিক চাপ বাড়িয়েও ইরানকে নত করা কঠিন, ঝুঁকিতে ট্রাম্প : রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গেই বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রেসসচিব ◈ ট্রাম্পের মাথার দাম ঘোষণা, পুরস্কার ১২৩ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেফালী ও কথিত প্রেমিক মোমেন পরস্পরকে দায়ী করে জবানবন্দী

এম এ হাকিম ভূঁইয়া, আড়াইহাজার: পরকীয়ার জের ধরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শিশু হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি কথিত প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন ৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ২৮ এপ্রিল (শনিবার) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মেহেদি হাসানের কাছে এবার শেফালীকে হত্যার জন্য দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন।

এর আগে ১৪ এপ্রিল (শনিবার) আদালতে পাঠালে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে দায়ী করে একই আদালতে জবানবন্দী দিয়েছিলেন শেফালী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক কাসেম আদালতের বরাত দিয়ে জানান, হৃদয়কে হত্যার দিন রাতে রাশেদুল ইসলাম মোমেন তার প্রেমিকা শেফালী আক্তারের ঘরে রাত্রিযাপন করেন। এক পর্যায়ে শেফালী মোমেনকে বিয়ের চাপ দেয় এবং অন্যত্র বসবাসের কথাও বলেন। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে জানিয়ে বিয়েতে অপারগতা জানালে শেফালী আক্তার পরক্ষণেই তার সন্তানদের হত্যার কথা বলেন। পরে ঘুমন্ত দুই সহোদর হৃদয় ও জিহাদের শরীরে কেরোসিন ঢেলে মা আগুন দেয়। এসময় প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন হত্যায় সহযোগিতা করেছিলেন বলে জানান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, একে অপরকে দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন। তবে হত্যাকান্ডের সঙ্গে দু’জনই জড়িত রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল রোববার ভোররাতে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের মেরাকোনা এলাকা থেকে দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয়ের ঘর থেকে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে গ্রেফতার করেন। এর আগে ১৩ এপ্রিল ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার হন মা শেফালী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়