শিরোনাম
◈ এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে, চিড়ামুড়ি নিয়ে চলে আসবেন: জামায়াত আমির ◈ নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই : কাদায় চাপা পড়েছে সব ◈ আন্তর্জাতিক চাপ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধান কঠিন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ ভা‌লো হ‌লো না দুই বো‌নের প্রত্যাবর্তনটা, হে‌রেই বিদায় ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে ভারত সফর নয়, দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ কারাবন্দিদের জন্য চালু হচ্ছে ভিডিও কল, সপ্তাহে একবার ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ:আধুনিকায়নে বদলে যাচ্ছে কারা ব্যবস্থা ◈ এবার পুতিনকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলেন জেলেনস্কি! ◈ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ বিদেশী শ্রমিক কমাচ্ছে মালয়েশিয়া, অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার! ◈ দখল-দূষণে মরছে ঢাকার খাল, দেড় বছর ধরে বন্ধ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেফালী ও কথিত প্রেমিক মোমেন পরস্পরকে দায়ী করে জবানবন্দী

এম এ হাকিম ভূঁইয়া, আড়াইহাজার: পরকীয়ার জের ধরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শিশু হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি কথিত প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন ৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ২৮ এপ্রিল (শনিবার) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মেহেদি হাসানের কাছে এবার শেফালীকে হত্যার জন্য দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন।

এর আগে ১৪ এপ্রিল (শনিবার) আদালতে পাঠালে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে দায়ী করে একই আদালতে জবানবন্দী দিয়েছিলেন শেফালী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক কাসেম আদালতের বরাত দিয়ে জানান, হৃদয়কে হত্যার দিন রাতে রাশেদুল ইসলাম মোমেন তার প্রেমিকা শেফালী আক্তারের ঘরে রাত্রিযাপন করেন। এক পর্যায়ে শেফালী মোমেনকে বিয়ের চাপ দেয় এবং অন্যত্র বসবাসের কথাও বলেন। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে জানিয়ে বিয়েতে অপারগতা জানালে শেফালী আক্তার পরক্ষণেই তার সন্তানদের হত্যার কথা বলেন। পরে ঘুমন্ত দুই সহোদর হৃদয় ও জিহাদের শরীরে কেরোসিন ঢেলে মা আগুন দেয়। এসময় প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন হত্যায় সহযোগিতা করেছিলেন বলে জানান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, একে অপরকে দায়ী করে জবানবন্দী দিয়েছেন। তবে হত্যাকান্ডের সঙ্গে দু’জনই জড়িত রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল রোববার ভোররাতে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের মেরাকোনা এলাকা থেকে দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয়ের ঘর থেকে রাশেদুল ইসলাম মোমেনকে গ্রেফতার করেন। এর আগে ১৩ এপ্রিল ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার হন মা শেফালী।

  • সর্বশেষ