প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবার বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে কানাডা ও মেক্সিকোর প্রধানমন্ত্রীর টুইট

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের ২১তম আসর রাশিয়ায় বসছে আগামী জুনে। পরের আসর বসবে কাতারে ২০২২ সালে। আর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজনে আগ্রহী উত্তর আমেরিকার তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আগ্রহীর তালিকায় আছে আফ্রিকান দেশ মরক্কোও। তবে উত্তর আমেরিকার এই সম্মিলিত বিডের বিরোধীদের টুইটারে প্রছন্ন রাজনৈতিক হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে টুইট করলেন মেক্সিকো ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তারা অবশ্য কাউকে ট্রাম্পের মতো হুমকি দেননি। বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শুধু।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নানা ভাবে বিতর্কিত হয়ে আসছেন ট্রাম্প। তবে কোন সমালোচনাকেই পাত্তা দেন না তিনি। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে দেশটির সাথে বিরোধে জড়িয়েছেন। তবু বিশ্বকাপ আয়োজনে মেক্সিকোকে পাশে পাচ্ছেন ট্রাম্প।

শনিবার মেক্সিকোর প্রধানমন্ত্রী এনরিক পেনা নিয়েতো তার টুইটার পেজে লিখেছেন, ‘আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। কিন্তু ফুটবল আমাদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে একসাথে আয়োজনের বিডকে আমরা সমর্থন করি।’

এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও শুক্রবার তার টুইটারে লিখেছেন, ‘২০১৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য উত্তর আমেরিকার বিডকে কানাডা পুরোপুরি সমর্থন করে। এবং আমরা এই অসাধারণ টুর্নামেন্টে বিশ্বকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।’
কানাডার আগে বিশ্বকাপের আয়োজন না করলেও যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সে অভিজ্ঞতা আছে। মেক্সিকো দুইবার (১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালে) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একবার (১৯৯৪ সালে) করে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে। অন্যদিকে মরক্কো কখনই তা করেনি।
আয়োজক দেশ নির্বাচিত হবে ফিফার সদস্য দেশগুলোর ভোটে। উত্তর আমেরিকার বিড তুলনামূলক শক্তিশালী হলেও অনেক দেশই মরক্কোয় বিশ্বকাপ আয়োজনের পক্ষপাতী। সেইসব দেশকেই প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক হুমকি দিয়ে ট্রাম্প টুইট করেছিলেন, ‘২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডা ও মেক্সিকোকে সঙ্গে নিয়ে একটি শক্তিশালী বিড দাড় করিয়েছে। যেসব দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বদা সমর্থন করে তারা যদি আমাদের বিরুদ্ধে লবি করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু হবে না। তারা যদি আমাদের সমর্থন না করে তবে আমরা কেন করব (এমনকি জাতিসংঘেও)?’
সূত্র : টুইটার থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত