প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩ মাসে প্রাণ গেল ৯’শ
‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে টেকনোলজি স্পিড ক্যামেরা বসাতে হবে’

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : কোনো চালক পরীক্ষা ছাড়া যেন লাইসেন্স না পায়, সেই সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে টেকনোলজি স্পিড ক্যামেরা বসাতে হবে বলে মন্তব্য করেন এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউটের সহকারি অধ্যাপক মো. সাইফুন নেওয়াজ।

আমাদের সড়ক-মহাসড়গুলোর সর্বত্রই বিশৃঙ্খলা। আর এই বিশৃঙ্খলার কারণে একের পর এক প্রাণ যাচ্ছে এবং কিছুতেই যেন নিয়ন্ত্রণে আসছে না এই দুর্ঘটনা সংখ্যা। এদিকে এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউট এর তথ্যমতে, চলতি বছর প্রথম ৩ মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৯’শ জন। তাই এই দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের নজরদারি বাড়ানোরও পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

খবরের কাগজ বা টেলিভিশনের স্ক্রলের দিকে তাকালেই চোখ পড়ে দুর্ঘটনার খবর এবং প্রতিনিয়তই দেশের সড়ক-মহাসড়কের কোথাও না কোথাও ঘটছে দুর্ঘটনা। এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে দেশের মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৬’শ ৭৪টি। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৮’শ ৯১ জন, আহত হয়েছে ১ হাজার ৭’শ ১০ জন।

২০১৭ সালে ২ হাজার ৬৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩ হাজার ৩’শ ৯৩ জন। এতে আহত হয়েছে প্রায় ৭ হাজার। সে হিসেবে এ বছর দুর্ঘটনা বেড়েছে ২ শতাংশ। আর মৃত্যুর হার বেড়েছে ৬ শতাংশ।

তাই দেশে সন্ত্রাস দমনে যদি বাহিনী গঠন করা যায়, তাহলে দুর্ঘটনা রোধে কেন জাতীয় বাহিনী কোনো বাহিনী নেই। এক হিসাবে দেখা গেছে, দেশে সন্ত্রাসীদের হাতে শতকরা ৩০ জন লোক মারা গেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় ৭০ জন। আর দেশের মানুষের জানমাল রক্ষাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাহলে সরকারকে দেশের মানুষের স্বার্থে যতসম্ভব দ্রুত ভাবতে হবে।

তবে বিআরটিএর পরিসংখ্যান মতে, এ সংখ্যা দিনে ১৬ এবং বছরে ৫ হাজার ৭’শ ৬০ জন। বাস্তবতা হচ্ছে, সড়কে প্রাণ যাওয়ার বিষয়টি রাষ্ট্রের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে না।

এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউ সংস্থাটির মতে, মূলত চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা আর যথাযথ মনিটরিং-এর অভাবেই নিয়মিত ঘটছে এই দুর্ঘটনা।

এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউটের সহকারি অধ্যাপক মো. সাইফুন নেওয়াজ বলেন, কোন চালক পরীক্ষা ছাড়া যেন লাইসেন্স না পায়। সেই সঙ্গে টেকনোলজি স্পিড ক্যামেরা বসাতে হবে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সালেহ উদ্দিন বলেন, প্রত্যেকটি দেশে হাইওয়ের জন্য স্পেশাল পুলিশ অফিসার থাকে। তারা ট্রেনিং প্রাপ্ত হতে হবে, সেই সাথে প্রযুক্তির দিয়ে তাদের সজ্জিত করতে হবে। যাতে করে অনেক দূর থেকে তারা হাইওয়ে কন্ট্রোল করতে পারে।

তবে হাইওয়ে পুলিশ ডিআইজি আতিকুল ইসলাম বলেন, বেশ কিছু পদক্ষেপে দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এক্ষেত্রে সচেতনার প্রতিও গুরত্ব দিচ্ছে আমরা।

সূত্র : সময় টিভি, ইনকিলাব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত