প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নানামুখী চাপ ও শঙ্কায় বিএনপি

শাহানুজ্জামান টিটু: খালেদা জিয়ার চিকিৎসা, দলের নেতৃত্ব, তারেক রহমানের পাসপোর্ট বিতর্ক, জোবাইদা রহমানের দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা, দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন, খালেদা মুক্তি আন্দোলন গতিহীন, কর্মসূচি পালনে প্রতিবন্ধকতা, নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণের অনিশ্চয়তাসহ নানামুখী চাপে রয়েছে বিএনপি। এখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টাও করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। এছ্ড়া খালেদা জিয়ার অসুস্থতা আর তার মুক্তি সহসাই মিলবে কিনা তা নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সাংগঠনিকভাবে একটি গঠনতন্ত্র আছে এবং কারো অনুপস্থিতিতে বাকি কাজ কারা করবেন সেই পরিপ্রেক্ষিতে লোকও আছে। সেভাবেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বর্তমানে স্থায়ী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তিনি বলেন, পরে কী হবে না হবে তা এই মুহূর্তে বিবেচ্য বিষয় না। বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার কারা মুক্তি।

দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্পর্কে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্য অহেতুক। তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো ক্ষমতা কারও নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মুক্তি না পেলে দেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। সরকার নির্বাচনী আতঙ্কের কারণে তারা আবোল-তাবোল বলছে।

তবে দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানায়, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টিকে রাজপথে ফয়সালার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তা নির্ভর করছে ৮ মে খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপরে। এদিকে কারাগারে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে উদ্বিগ্ন দলটির নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে তার স্বাস্থ্যের অবনতির বিষয়টি জানিয়েছে বিএনপি। কারাগারে দেখা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র তিন নেতা।

এছাড়া গেল সপ্তাহজুড়ে তারেক রহমানের পাসর্পোট ও নাগরিকত্ব নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়। আওয়ামী লীগ দাবি করে তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিক নন কারণ তিনি ব্রিটেনে তার পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। তারেক রহমান এদেশের নাগরিক তা প্রমাণ করতেই বিএনপিকে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে পুরো সপ্তাহ। এরমধ্যেই গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের যেতে হচ্ছে নির্বাচনী এলাকায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত