প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রধানমন্ত্রীর একজন সহপাঠী হিসেবে আমি গর্বিত

গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড একটি খুবই মর্যাদাসম্পন্ন পুরষ্কার । এই পুরষ্কার প্রাপ্তির ভিতর দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার শুধু ব্যক্তিগত মর্যাদাই কেবল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বাংলাদেশ একটি নতুন মর্যাদা পেয়েছে । দ্বিতীয়তঃ এই পুরষ্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে নারীর সামগ্রিক উন্নয়ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করলো। সেটা থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বিশেষ করে মুসলিম প্রধান দেশেগুলোও শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে । এমনকি আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত, আমাদের পাকিস্তান এসব দেশে নারীর যেই অবস্খা, নারী যে বৈষম্যের শিকার, নির্যাতনের শিকার, ধর্ষণের শিকার, সমাজে রাষ্ট্রে তারা যে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, সেদিক থেকে তাদের কাছে এটা শিক্ষণীয় ।

বাংলাদেশকে আরো অনেক দূর যেতে হবে। এটা যেমন সত্য, তেমনি বাংলাদেশে নারীর সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তার রাষ্ট্রীয় এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণ যেমন মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়েছেন, তেমনি নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, সেটা বিষ্ময়কর । এই শিক্ষার ভিতর দিয়ে নারীর কেবল আধুনিক শিক্ষাগ্রহণই সম্পন্ন হবে না, এর ভিতর দিয়ে সমাজে অবদান রাখার জন্যে সে যেমন তার যোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত করবে, তেমনি আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে যেই অন্ধকার, কুসংস্কার, পশ্চাদপদতার ধ্যান ধারণা মেয়েরা পুরুষের মত পারে না, এই সব কিছু কিন্তু মিথ্যা প্রমাণিত করে দিয়েছে ।

সুতরাং আজকে এই ব্যাপারে আমি গর্বিত যে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং বিশেষ করে সেই প্রধানমন্ত্রীর একজন সহপাঠী হিসেবে আমি আরো গর্বিত যে, তিনি বাংলাদেশের নারীদেরকে মুক্তির আলো দেখিয়েছেন এবং পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যেই অবস্থান নির্যাতিত, নিপীড়িত, পশ্চাদপদ নারীদের জন্য একটা নতুন পথের নিশানা তিনি দেখিয়েছেন ।

পরিচিতি : আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিমন্ডলীর সদস্য/মতামত গ্রহণ : নৌশিন আহম্মেদ মনিরা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত