প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুর্গে নির্ভার বিএনপি, চ্যালেঞ্জে আ. লীগ

ডেস্ক রিপোর্ট : ভোটের পরিসংখ্যানে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন বিএনপির শক্ত ঘাঁটি; প্রার্থী যেই হোক। বিএনপির সেই দুর্গে লড়তে হবে আওয়ামী লীগকে; অথচ তাদের গ্রুপের শেষ নেই।

ঘাঁটি হলেও প্রার্থী নিয়ে শঙ্কায় আছে বিএনপি। অন্যদিকে বহুধাবিভক্ত আওয়ামী লীগের জন্য চ্যালেঞ্জ অন্তত তিনজন শক্ত মনোনয়নপ্রত্যাশীকে এক করে প্রার্থী দেওয়া। তবে বিএনপির শক্ত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মামলা জটিলতায় প্রার্থী হতে না পারলে আওয়ামী লীগের চিন্তা অনেকটা কমে আসবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এই আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপির বাইরে জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, ন্যাপ ও সিপিবি-বাসদ-গণতান্ত্রিক বাম মোর্চাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণসংযোগ ও প্রচার চালাচ্ছে। আসনটি একসময় ন্যাপ-সিপিবির নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে ১৯৯১ সালের পর থেকে বিএনপির দুর্গে পরিণত হয়। টানা চারটি সংসদ নির্বাচনে বিএনপিদলীয় প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বিজয়ী হন। তবে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাজেদা আহসান মুন্সীকে হারিয়ে জয় পান আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ বি এম গোলাম মোস্তফা। কিন্তু গত নির্বাচনে সমঝোতার ভিত্তিতে জাতীয় পার্টিকে আসনটি ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। বিএনপির বর্জন করা ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকেই দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ওই নির্বাচনে বিজয়ী হন।

আওয়ামী লীগ : দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে দেবীদ্বার আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে অন্তত ছয়-সাতজন মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আবার তিনজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী।

এই আসনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অন্যতম বর্তমান সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক উপমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছেলে। মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্যরা হলেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি এ বি এম গোলাম মোস্তফা, একই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি হাজি রোশন আলী মাস্টার, ওই কমিটিরই সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ এম হুমায়ুন মাহমুদ, ওই কমিটির সদস্য ও ঢাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়া যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে তাঁরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নুল আবেদীন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিপি এ কে এম সফিকুল আলম কামাল।

গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা রাজী মোহাম্মদ ফখরুল মনে করেন, সততার সঙ্গে কাজ করার পুরস্কার হিসেবে তিনি এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘যতটুকু পেরেছি, এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন করেছি। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এলাকায়।’

দলীয় কোন্দল সম্পর্কে মোহাম্মদ ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগে কোন্দল বা প্রার্থী অনেক থাকলেও সমর্থকরা বিভক্ত নয়। তারা কোন্দলে নেই। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবেই। নৌকা প্রতীক নিয়ে এলে সবাই এক হয়ে কাজ করবে।’

বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে উল্লেখ করে রাজী ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি কাকে প্রার্থী দেয় সেটি হলো বিবেচ্য বিষয়।’

তবে বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করে সম্ভাব্য আরেক প্রার্থী এ বি এম গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘গত নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। এর আগে পাঁচ বছর এমপি ছিলাম। কোনো দুর্নীতি করিনি। এলাকায় আমার জনপ্রিয়তা কেমন খোঁজখবর নিয়ে দেখুন। জনগণ বর্তমান এমপি সম্পর্কে কী বলে শুনুন।’

গোলাম মোস্তফা আরো বলেন, ‘মানুষ সৎ ও ত্যাগী নেতাকে এমপি হিসেবে চায়। আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে দু র্নীতিবাজ এমপিদের মনোনয়ন দেবে না।’

গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়া হাজি রোশন আলী মাস্টার বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দুর্দিনে লড়াই-সংগ্রাম করেছি। ত্রাণ দিতে গিয়ে মার খেয়েছি। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। তাদের সাথে লড়েছি। মনোনয়ন দিয়ে তো আমাদের মূল্যায়ন করলে দল উপকৃত হবে।’

বর্তমান এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিজয়ী বর্তমান এমপি রাজী ফখরুল বিদ্যুতের মিটার দিতে ঘুষ নিয়েছেন, নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন, কাজের মান খারাপ, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য করেছেন। স্কুল কমিটিও টাকা নিয়ে দিয়েছে। ইমেজ নষ্ট করে এখন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।’

আর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা চাইলে আমি আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হব।’

আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী অধ্যক্ষ এম হুমায়ুন মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমান এমপির বাইরে আমরা সব আওয়ামী লীগ একসাথে আছি। যিনি মনোনয়ন পাবেন তাঁর জন্য আমরা সবাই একসাথে কাজ করব।’

নিজের মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে হুমায়ুন মাহমুদ বলেন, ‘মনোনয়ন পাব, কারণ কোনো খারাপ কাজে ছিলাম না। বিএনপি আমলে যুদ্ধ করে আমি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। আওয়ামী লীগের আর কেউ সেটি পারেনি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ছিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘বর্তমান জনবান্ধব সরকার কর্তৃক উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হওয়ায় জনগণ আমাদের পাশেই আছে। তাই নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকলেও দল যাকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবে, তাঁকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচিত করব।’ তবে নির্বাচনে তরুণ নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বেশি বলে তিনি মনে করেন।

কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শিরিন সুলতানা বলেন, ‘জনগণ এখন আর গণবিচ্ছিন্ন নেতাদের প্রতি আগ্রহী নয়, বর্তমান সরকারের মিশন-ভিশন বাস্তবায়ন এবং উন্নয়ন সুবিধা প্রদানে যাঁর অবদান বেশি তাঁকেই জনগণ নির্বাচিত করবে। সে ক্ষেত্রে রাজী মোহাম্মদ ফখরুলকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে কোনো সমস্যা থাকবে না।’

আওয়ামী লীগ নেতা সুজিত পোদ্দার বলেন, ‘নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিএনপির দুর্গ থেকে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনেছিলেন সাবেক মন্ত্রী এ বি এম গোলাম মোস্তফা। এবারও বিএনপিদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রার্থী হলে নৌকা প্রতীকের বিজয় কঠিন হয়ে পড়বে। তাই এ আসনটি আওয়ামী লীগের পক্ষে আনতে হলে সকলের গ্রহণযোগ্য সাদা মনের মানুষ, সৎ, সাহসী, শিক্ষিত এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দুরদর্শিতাসম্পন্ন সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম গোলাম মোস্তফার বিকল্প নেই।’

বিএনপি : ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপিতেও একাধিক গ্রুপ রয়েছে। তবে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে দলটির একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। এ আসনে আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে তিনজনই মঞ্জুরুল মুন্সীর পরিবারের। তাঁরা হলেন টানা চারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, তাঁর স্ত্রী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাজেদা আহসান মুন্সী এবং ছেলে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সী। মঞ্জুরুল মুন্সীর পরিবারের বাইরে যাঁদের নাম আলোচনায় আছে, তাঁদের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ), ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি হাজি আব্দুল আউয়াল খান এবং আওয়ামী লীগ নেতা এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছোট ভাই বিএনপি হংকং শাখার সভাপতি এ এফ এম তারেক মুন্সী রয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি মামলার কারণে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারলে মাজেদা আহসান মুন্সী বা হাজি আবদুল আওয়াল খান বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী চান তাঁর ছেলে রিজভিউল আহসান মুন্সী প্রার্থী হোক।

এ বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘দেবীদ্বার বিএনপির দুর্গ। দেবীদ্বারের উন্নয়ন টানা চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীরই অবদান। এটা দেবীদ্বারের সব রাজনৈতিক নেতাকর্মী-সমর্থক একবাক্যে স্বীকার করবে। তাই সংসদ নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী কেন, তাঁর পরিবার বা পরিবারের বাইরে যে কেউ বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হলে বিএনপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিজয় সুনিশ্চিত হবে।’

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী তারেক মুন্সী বলেন, ‘বিএনপি গত পাঁচ বছর যখন এলাকায় নিস্তব্ধ, তখন আমি সেখানে কাজ করেছি। এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছি। গণসংযোগ করছি। বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাকে গ্রহণ করছে। সাবেক এমপি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বয়স হয়েছে। এখন মানুষ নতুন নেতৃত্ব চায়।’ তবে তিনি জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তি না হলে তিনি নির্বাচনে যাবেন না।

জাতীয় পার্টি : গত নির্বাচনে সমঝোতার ভিত্তিতে এ আসনটি জাতীয় পার্টির প্রার্থী অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজুকে ছেড়ে দেওয়া হলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশ তাঁর পক্ষে কাজ করেনি। সেই জাতীয় পার্টি থেকে এবারও মনোনয়ন চাইবেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাজু।

রাজু বলেন, ‘জাতীয় পার্টি থেকে তো আমি মনোনয়ন পাবই। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট হলে জোট থেকেও পাব ইনশাআল্লাহ।’

দেবীদ্বার পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. মোসলেহ উদ্দিন মোল্লা বলেন, ‘এ আসন জাতীয় পার্টির। উপজেলার রাস্তাঘাট, অবকাঠামোসহ অনেক উন্নয়নই জাতীয় পার্টির আমলের। এ ছাড়া আজকের আওয়ামী লীগ, বিএনপিও জাতীয় পার্টির নেতৃত্বের ওপর ভর করে রাজনীতি করছে, যা জাতীয় পার্টিরই অর্জন। কারণ বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক মন্ত্রী ও এমপি এ বি এম গোলাম মোস্তফা, সাবেক উপমন্ত্রী এবং এমপি এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সীসহ বেশির ভাগ নেতা এবং বিএনপির মনোনয়নে চারবারের নির্বাচিত সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও জাতীয় পার্টিরই সৃষ্টি।’

তিনি বলেন, ‘দেবীদ্বারে জাতীয় পার্টির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই, তাই এবারও আমরা আশাবাদী যদি জোটগতভাবে নির্বাচন হয়, তাহলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ইকবাল হোসেন রাজু মনোনয়ন পাবেন এবং বিজয়ের পথও নিশ্চিত হবে।’

অন্যান্য দল : আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-মোজাফ্ফর) থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একমাত্র জীবিত সদস্য ন্যাপ প্রধান অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদের সহধর্মিণী ও ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আমেনা আহমেদ। এ ছাড়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী উপজেলা জামায়াতের সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম সহিদ, সিপিবি-বাসদ বাম জোট থেকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কুমিল্লা জেলা সভাপতি এ বি এম আতিকুর রহমান বাশার, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মুজাহিদ শাখা উপজেলা সভাপতি ডা. মহসিন আলম প্রার্থী হতে পারেন। সূত্র : কালের কন্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত