প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাওয়ার শেয়ারিং এর মাধ্যমে অপরেটরদের খরচ কমবে, বাড়বে গ্রাহক সেবা

সাজিয়া আক্তার : মানসম্পন্ন টেলিসেবা নিশ্চিত করতে এই বছরেই বাস্তবায়ন হচ্ছে টাওয়ার শেয়ারিং পদ্ধতি। ইতিমধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে সংশোধিত নীতিমালার। এর ফলে পরিবেশের ক্ষতি কমার পাশাপাশি গ্রাহক পাবে নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা।

বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে হাসপাতালের ছাদ, নিয়ম না মেনে যেখানে সেখানে তৈরি হচ্ছে মোবাইল টাওয়ার। এতে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের। বর্তমানে প্রতিটি অপারেটর আলাদা টাওয়ার নির্মাণ করায় বাড়ছে এই সমস্যা। এইগুলো নিয়ন্ত্রনে নিতে ২০১৬ সালে সংশোধন আনা হয় টাওয়ার শেয়ারিং নীতিমালায়। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মনে করেন এতে অপারেটরদের ব্যয় কমার পাশাপাশি বাড়বে সেবার মান।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, টাওয়ার শেয়ার করতে হবে এবং টাওয়ার শেয়ার করার জন্য নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান টাওয়ার গুলো ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করবে। এখন যেইগুলো তৈরি হয়ে গেছে, সেইগুলো তো হয়েই গেছে। ইতিমধ্যে আমরা টাওয়ার শেয়ারিংএর লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি, আমরা ৪ টা লাইসেন্স প্রদান করবো।

বর্তমানে দেশজোড়ে ছরিয়ে আছে ৪০ হাজার টাওয়ার, এর মধ্যে রবির ১৪ হাজার, গ্রামীনে সারে ১০ হাজার, বাংলালিংকে প্রায় ৯ হাজার, টেলিটকের আছে সারে ৪ হাজার। তবে তৃতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়া না নিয়ে নিজেরাই টাওয়ার তৈরি করছে অপরেটররা।

অ্যামটব মহাসচিব টি আই এম নরুল কবির বলেন, আইবি ডাব্লিউ, আইটিএস,এনটিটি আলাদা অপারেটর করেছে। কিন্তু তারা করেছে কী? তারা কিন্তু মুল অবকাঠামো যেটা এমিনিয়রা করেছে সেটিকে নিয়ে আলাদা ভাবে এমিনিয়দের সার্ভিস দিচ্ছে। এতে সেবার যে গুণগতমানটা এটা তো কখনো বাড়িনি বরং সেটা কমে যাচ্ছে।

নীতিমালা অনুযায়ী টাওয়ার নির্মাণ ব্যবস্থাপনা থাকবে ৪ টি কোম্পানীর হাতে। লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানীকে ৫ বছরের মধ্যে সারাদেশে নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন থেকে মনিটরিং

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত