প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুই সিটিতে অজানা আশঙ্কায় বিএনপি

শিমুল মাহমুদ: গাজীপুর এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই সিটিতেই ভোটার ও জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা থাকলেও প্রশাসনের দমন নীতির কারণে নির্বাচনী এলাকায় একধরণের ভীতি এবং অজানা আশঙ্কা বিরাজ করছে।

শনিবার রাত ৮টায় বিএনপির দফতর থেকে পাওয়া এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, অতীতের মতোই সন্ত্রাসী লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গাজীপুরে ধানের শীষের প্রার্থীর ব্যাপক বিজয় টের পেয়েই সরকারের মদদে পুলিশ প্রশাসন ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দৌরাত্মের শিকার হয়ে ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকরা নানাভাবে নাজেহাল হচ্ছে।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার পর দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। এ পর্যন্ত তাদের অধীনে যতগুলো স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সবগুলোতেই তারা অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানীতে সহিংসতার প্রতাপ বিস্তার করেছে। ভোটের পূর্বের রাতে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, জাল ভোট প্রদান এবং বিরোধী প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বিতাড়িত করাসহ জনগণকে ভয় দেখিয়ে আওয়ামী প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করার ঘটনা আওয়ামী সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আসন্ন গাজীপুর এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে দুরভিসন্ধিমূলক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গতকাল গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থীতা প্রত্যাহারকারী ও ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থনকারী জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ এস এম সানাউল্লাহসহ ৪৫ জন নেতাকর্মীকে বিনা উস্কানিতে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

ফখরুল বলেন, শনিবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ও গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা এস এম সানাউল্লাহ যিনি ইতোমধ্যে বিএনপি’র ধানের শীষের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন তাঁকেসহ ৪৫ জন নেতাকর্মীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে কোনো কারণ ছাড়াই গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই অন্যায় জুলূমের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, গাজীপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার নির্দেশেই ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকরা জুলুম ও গ্রেফতারের শিকার হচ্ছে। জামায়াত নেতা এস এম সানাউল্লাহসহ ৪৫ জন নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতারের এই ঘটনা নি:সন্দেহে আগামী গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সুদুরপ্রসারী অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ। আমি এই ন্যাক্কারজনক গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গাজীপুরসহ খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে অবিলম্বে তাদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত