প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মহেশখালী দ্বীপে জলদস্যু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলেরা

সাজিয়া আক্তার : কক্সবাজারে মহেশখালী দ্বীপে সক্রিয় ২০ থেকে ২৫ টি জলদস্যু বাহিনী। যারা মাছ ধরার ট্রলার সহ বিভিন্ন নৌযানে ডাকাতি, জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপন আদায় করেণ। এসব বাহিনী সাগরে দস্যুতা ছাড়াও অংশ নেয় প্রভাব শালি লবনের মাঠ দখলে। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনের একটি অংশের সহয়তা পায় জলদস্যুরা।

দ্বীপ জনপদ মহেশখালী, কক্সবাজার সদর থেকে সাগর পেরিয়ে পাহাড়ে যেতে সময় লাগে মাত্র ১৫ মিনিট। কাঁদামাটি পেরিয়ে  দ্বীপটির একটি অংশে মিললো এক অভাবনিয় দৃশ্য। যেখানে অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে আছে একদল জলদস্যু।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা কর্তৃপক্ষ কেউ হানা দিতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই তাদের এই সর্তকতা। তাই তারা কখনো কখনো গুলি বর্ষণকরে জানান দেয় তাদের শক্তিমত্তা।

মহেশখালী সাগর তীরবর্তি পাহাড়ে নানা জায়গায় রয়েছে জলদস্যুদের অনেক আস্তানা। গভির সমুদ্র তীরে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত জলদস্যুদের এমন মহড়া চলে প্রতিদিন । জলদস্যুদের এমন তাণ্ডবে দিশেহারা জেলেরা। এই বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসন জানলেও নেই কোন প্রতিকার। এই দ্বীপে আস্তানা গড়ে প্রতিনিয়ত জেলেদের মুক্তিপন আদায়সহ নানা অপরাধ করে যাচ্ছে এই জলদস্যুরা। এমন একটি বাহিনী কয়েকজন সদস্য জানান, মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি সহ বাহিনী প্রধানের নির্দেশে তারা দখল নেয় চিংরি সেচ ও লবণ মাঠ দখলে।

একজন জলদস্যু বলেন , যতগুলা টলার পাই সব গুলা টলারকে আমরা আটকে ছিন্তাই করি। আমরা টলারগুলো আটক করে তাদের মাছ গুলা নিয়ে নেই। আমাদের নিরাপত্তার জন্য সামান্ন অস্ত্র নিয়ে হাঁটাহাটি করি। বাইড়ে যখন মাছের নৌকা ধরতে যাই তখন অনেক অস্ত্রনিয়ে যাই।

প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাদের সাথে তাদের গডফাদারদের ভাল সম্পর্ক আছে দাবি করে জলদস্যুরা বলছেন, অপরাধ করেও মহান তবিওতে থাকতে পারছেন তারা।

জলদস্যুরা বলেন, আমাদের লিডার আছে, তিনি বলেছেন অনেক টাকা দিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ এবং সরকারি প্রশাসন তাদের হাত করে রেখেছেন। তাই সরকারি প্রশাসন বা কোনো ধরনের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখানে তদন্ত করতে চেষ্টাও করে না ।

তবে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মত জলদস্যুদের নিশ্চিন্ন করতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানালেন র‌্যাব কর্মকর্তা।
চট্টগ্রামের র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্ণেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা গত বছর নভেম্বরে মহেশখালীতে জলদস্যু অভিযান পরিচালনা করি এবং সেখানে আমাদের যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অন্তভূক্ত শীর্ষ জলদস্যু জাম্বু সে কিন্তু প্রায় বিপুল পরিমান অস্ত্রসহ ধরা পরে এবং র‌্যাবের সাথে গুলাগুলিতে মারা যায়। এখনো আমরা জলদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নিচ্ছি এবং এটা আমাদের এটা রুটিন কাজ।

র‌্যাবের দাবি অনুযায়ী কক্সবাজারের মহেশখালীতে ২০ থেকে ২৫ টি গ্রুপে সক্রিয় আছে ২ শতাদিক জলদস্যু।

চ্যানেল ২৪ থেকে মনিটরিং

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ