প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চারটি প্রতিষ্ঠানে ৩৩টি অবৈধ মোটরসাইকেল চিহ্নিত

ডেস্ক রিপোর্ট : চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৩টি অবৈধ মোটরসাইকেল চিহ্নিত করে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ি সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অধিক মুনাফার আশায় অবৈধপথে ইয়ামাহা ব্রান্ডের মোটরসাইকেল আমদানি ও বাজারজাত করছে। এতে একদিকে ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন অন্যদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় শোরুমগুলোতে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জেও (ওসি) নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশের বরাতে জানা গেছে, মোট ১২টি শোরুমে অভিযান পরিচালনা করে চারটিতে অবৈধ মোটরসাইকেলের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে শরিফ মোটরসে ফেজার মডেলের চারটি ও এফজেড মডেরেলে ৬টি। বাইক জোনে আর১৫ মডেলের ৩ টি, মুনতাহিনা মোটরসে এফজেড মডেলের ২ টি এবং ফেজার মডেলের ৩টি, এছাড়া নাহার এন্টারপ্রাইজে এফজেড মগেলের ১৫ টি অবৈধ মোটরসাইকেলের সন্ধান পেয়েছে। এর আগে গত জানুয়ারিতে আরো একটি অভিযান পরিচালনা করেছিলো পুলিশ।

জানা গেছে, ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল আমদানি ও বাজারজাতকরণের জন্য এসিআই লিমিটেডকে বৈধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করেছে আদালত। প্রতিষ্ঠানটির প্রচলিত ও স্বীকৃত মডেলের বাইরে বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল দেশের বাজারে বিপনন করা হচ্ছে বলে জানতে পারে পুলিশ। যদিও এসিআই লিমিটেড ব্যতিত সকল অবৈধ আমদানিকারক কর্তৃক আমদানিকৃত ইয়ামাহা ব্রান্ডের মোটরসাইকেল আমদানি, বিপনন, রেজিষ্ট্রেশন, মেকার্স কোড ও টাইপ অনুমোদন বাতিল ঘোষনা করে আদালত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পাশাপাশি পুশ ইন্টারন্যাশনাল, নিউ সোনারগাঁ মোটরস, আরএন এন্টারপ্রাইজ, পোলারিস টেক লিমিটেড, পাওয়ারপ্যাক ইন্টারন্যাশনালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইয়ামাহা মোটরসাইকেল আমদানি ও বিপননের ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আদালত।

এ বিষয়ে রমনা থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, অবৈধ আমদানিকৃত মোটরসাইকেল দিয়ে অপরাধমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করা হয়। আর পরবর্তীতে অপরাধমূলক কার্যক্রম হলে চিহ্নিত করতে অসুবিধায় পড়তে হয়। অবৈধভাবে দেশে আসা মোটরসাইকেল নিরাপত্তার জন্য হুমকি বিধায় পুলিশ সবোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আবার বৈধ আমদানিকারকরা সঠিক মূল্য প্রদর্শন করে দেড়শ শতাংশের বেশি শুল্ক প্রদান করেন। কিন্তু অবৈধ আমদানিকারকরা কম মূল্য দেখিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে ভোক্তাদের প্রতারিত করে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়েই আদালতের নির্দেশনা মেনেই অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধ এসব ব্রান্ডের মোটরসাইকেল ক্রেতারা কেনার পর সার্ভিস নেবার সময় সঠিক সময়ে সঠিক সার্ভিসটি পাননা। এমনকি প্রচলিত মডেল না হবার কারনে সঠিক যন্ত্রাংশও পাওয়া যায় না। আবার অবৈধ আমদানিকারকরা স্থানীয় স্পেয়ার পার্টস ও যন্ত্রাংশ সংযোজনের মাধ্যমে ভোক্তাদের প্রতারিত করে তাকে। এছাড়া বিআরটিএ থেকে রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে আমদানি প্রতিষ্ঠানের বৈধ অথরাইজেশন লেটার দরকার হয়। কিন্তু অবৈধ আমদানিকারকরা নকল কাগজপত্র দেখিয়ে বিআরটিএ থকে রেজিষ্ট্রেশন করে থাকে। ফলে সেটি দেশের আইন শৃঙ্গলা বাহিনীর জন্য উদ্বেগের কারন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত