প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেসরকারি খাতের জন্য সঠিক নীতিমাল জরুরি’

সাইদ রিপন : সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেসরকারি খাতের ভূমিকা খুই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বেশির ভাগ বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো চিকিৎসার চেয়ে মুনাফা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য সঠিক কোনো নীতিমালা না থাকায় এসব ব্যক্তি মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলো রক্তচোষা কীট হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে সরকারি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি বলে মনে করেন স্বাস্থ্যবিদ, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক ও সুশীল সমাজের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত থিংক ট্যাংক।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেসরকারী খাতের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক স্বাস্থ্যনীতি সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। সংলাপটি আয়োজন করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সমর্থিত আইসিডিডিআরবি’র(ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ) শেয়ার প্রকল্প। সংলাপের অন্যতম উদ্দেশ্য বাংলাদেশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নীতিগত সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করা, সমস্যাগুলো কার্যকরী সমাধান খুঁজে বের করা এবং ভবিষ্যত কার্যক্রম নির্ধারণ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) ডা. আশিষ কুমার সাহা বলেন, চুলচেরা বিশ্লেষণ না করে বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স দেয়া উচিত না। সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। মানুষকে যেন বিদেশে চিকিৎসা নিতে না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। বিদেশের মতো বাংলাদেশেও স্বাস্থ্য ইনসুরেন্সের দাবি জানান তিনি।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের গাইনী বিভাগের প্রধান ডা. ইমদাদ বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে অপতৎপরতা বেড়েই চলেছে। সাধারণত সিজারিয়ান এবং এপেনডিসাইটিস অপারেশন করেই বেসরকারি হাসপাতালগুলো ফুলে ফেঁপে উঠেছে। এসব রোগের অপারেশন অনেক সময় অপ্রয়োজনেই বেসরকারি হাসপাতাল করে থাকে। এগুলো অচিরেই বন্ধ করা দরকার। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থান করেন শেয়ার প্রকল্পের পরিচালক ডঃ ইকবাল আনোয়ার। তিনি বলেন, আমি কিছু কিছু সরকারি হাসপাতাল পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি চিকিৎসার মান অনেক উন্নত হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে মাতৃ মৃত্যুর হার কমেছে এর পাশাপাশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাও ভালো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত