প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চ্যানেল ফোরে হলুদ সাংবাদিকতার নেপথ্যে বিএনপির মোটা অংকের বিনিয়োগ

ডেস্ক রিপোর্ট : বহিঃবিশ্বের সাথে সুসম্পর্কের রেশ ধরে সম্প্রতি লন্ডনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এই সফল সফরকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সফর চলাকালীন সময়ে লন্ডনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছে বিএনপি। আর পরিকল্পনা মাফিক এবার এই অপপ্রচারে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে চ্যানেল ফোর। ‘উন্নয়নের গল্পগাঁথায় বাংলাদেশ’ এর অভিজ্ঞতার উপর আলোকপাত করে একটি সেমিনারের আয়োজন করে ‘ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (ওডিআই)

এক ঘন্টার এই সেমিনারের শেষের ১৫ মিনিট নির্ধারণ করা হয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বের। এই নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন সাংবাদিকরা বাংলাদেশের উন্নয়নের পিছনে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।বাংলাদেশের নারী পুরুষ সমতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করা হয়। এই নির্দিষ্ট ১৫ মিনিট শেষ হবে আর এর পর যখন ঘোষণা দেয়া হয় সেমিনার শেষ করার, তখনই প্রধানমন্ত্রীর দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক পাবলিক সার্ভিস টেলিভিশন প্রচার কোম্পানি ‘চ্যানেল ফোর ‘এর জৈনেক সাংবাদিক। তবে প্রধানমন্ত্রী কিছু বলার আগেই ওডিআই এর নির্বাহী পরিচালক এলেক্স থিয়ার চ্যানেল ফোর এর ওই সাংবাদিককে জানান যে, অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

সেদিনই চ্যানেল ফোর এ প্রচারিত একটি সংবাদে প্রকাশ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী সেই প্রশ্নটি এড়িয়ে গেছেন। যা সম্পূর্ণই মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই সংবাদে ম্যানচেস্টার থেকে সাক্ষাৎকার নেয়া হয় রাজাকার গোলাম আজমের পুত্রের। এক সময়ে ঢাকার নাখাল পাড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং খুনি, একাধিক মামলার আসামী পলাতক সাজেদুল ইসলাম ওরফে সুমন এর ভাইয়ের। এতে সুশীল সমাজ মাত্রই প্রশ্নজাগে যে, হঠাৎ করেই চ্যানেল ফোর এর এই সন্ত্রাস প্রীতি কেন? এই সবই কি বিএনপির কোনো বড় পরিকল্পনা? আর তাই কি পুরোটা সময় সেমিনারে চুপচাপ থাকা চ্যানেল ফোর এর সাংবাদিক অনুষ্ঠান শেষে প্রশ্ন করে, কোন উপলক্ষ সৃষ্টি করার জন্যেই কি চ্যানেল ফোর এর এই সাংবাদিকের এই পরিকল্পনা?

‘হিউম্যান রাইটস’ বলে আজ এতো মাথাব্যাথা চ্যানেল ফোর এর, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কোথায় ছিল এতো মানবতা? বিএনপি জামায়াত জোটের কাছে যখন জিম্মি ছিল দেশের সংখ্যালঘুরা, দেশব্যাপী চলেছে তান্ডব, তখন কোথায় ছিল এই সব হিউম্যান রাইটস এর সংস্থাগুলো? রাজাকার পুত্র সালমান আল আজমীর বক্তব্য নেয়ার আগে চ্যানেল ফোর কি গোলাম আজম সম্পর্কে তথ্য জানার প্রয়োজন মনে করেনি? এই তো সেই গোলাম আজম, যিনি কিনা ১৯৭১ সালে নিজ হাতে খুন করেছেন, লুট করেছেন, ধর্ষণ করেছেন। তার পক্ষ নিয়ে ‘মানবতার’ কথা বলা হলুদ সাংবাদিকতার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। মানবতা যখন মোটা অংকের টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায়, তখন সয়লাব হবে চ্যানেল ফোর এর মতো হলুদ সাংবাদিকদের- এটাই স্বাভাবিক!

সূত্র : অদ্বিতীয় বাংলা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত