প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আগামী বছর চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা দৃশ্যমান পরিবর্তন

মো. শহিদুল ইসলাম,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর খালের মুখ পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ গৃহিত মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর। নানা আলোচনা সমালেচনা শেষে অবশেষে খালের এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকার ড্রেন পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম।

তবে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা সহনীয় পর্যায়ে আনতে নগরের যেইসব এলাকায় জলাবদ্ধতা তুলনামূলকভাবে বেশি হয়, সেইসব এলাকায় কাজ চলবে জানিয়ে আবদুচ ছালাম বলেন, বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রথম ধাপে খালের মুখ পরিষ্কার করা হবে। তাই এবছর থেকে সুফল আশা করা যাবে না। প্রকল্পের কাজ শুরু করতেই অনেক সময় লেগেছে।

প্রকল্পের কাজ শুরু করতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। প্রকল্পের কাজ যখন শুরু হয়ে গেছে, এ বছর না পেলেও নগরবাসী আগামী বছর দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সিডিএ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় চট্টগ্রাম নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের ড্রেন পরিষ্কার করা হবে। শনিবার নগরীর দুই নম্বর গেট থেকে মুরাদপুর, বহদ্দারহাট থেকে বাসটার্মিনাল ও ষোলশহরের আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা এলাকার রেলবিট সংলগ্ন ড্রেন পরিষ্কারের কাজ চলছে। সিডিএর পক্ষ থেকে যেইসব এলাকায় জলাবদ্ধতা তুলনামূলকভাবে বেশি হয়, সেইসব এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর মধ্যে আগ্রাবাদের সিডিএ আবাসিক এলাকা, হালিশহর, চাকতাই, বকশিরহাট, দেওয়ানবাজার, খাতুনগঞ্জ, বৃহত্তর বাকলিয়া, চকবাজার ও চান্দগাঁওয়ের কিছু অংশ রয়েছে।

এ সূত্র আরও জানায়, ড্রেনের পাশাপাশি এ প্রকল্পের আওতায় প্রথমদিকে ১৬টি খাল খনন করা হবে। সেগুলো হলো- চাক্তাই খাল, বির্জা খাল, রাজাখালী খাল-১, মির্জা খাল, রাজাখালী খাল ২, রাজাখালী খাল-৩, মরিয়মবিবি খাল, হিজরা খাল, মহেশখাল, কলাবাগিচা খাল, ডোমখাল, বামুনশাহী খাল (কোদালাকাটা খাল, কাটা খাল, সানাইয়া খাল, মধুছড়া খালও বামুনশাহী খালের অন্তর্ভুক্ত), চাক্তাই ডাইভারসন খাল (বাকলিয়া খাল নামেও পরিচিত), নোয়া খাল, খন্দকিয়া খাল ও নাছির খাল।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে একনেকে শর্তসাপেক্ষে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট এ মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২০ সালের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এরই মধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) গভর্নমেন্ট অর্ডার (জিও) প্রদান করেছেন এবং জিও পাওয়ার পরপরই একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত