প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১৩০০ শিক্ষকের জাল সনদে চাকরি, শিগগিরই ব্যবস্থা

হ্যাপী আক্তার : বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় ১৩০০ শিক্ষকের জাল সনদে চাকরির প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর বলছে তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে। জাল সনদ চিহ্নিত করতে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে অটোমেশন সফটওয়্যার। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংক্ষিপ্তভাবে তদন্তের মাধ্যমে এসব শিক্ষকদের চাকুরিচ্যুত করা উচিত।

ময়মনসিংহের দত্তের বাজার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ । এ প্রতিষ্ঠানে ৩৫ জন শিক্ষকের মধ্য ৮ জন শিক্ষকেরই সনদ জাল। দীর্ঘদিন ধরেই এসব শিক্ষকরা জাল সনদে চাকরি করছেন বলে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

জাল সনদের বিষয়ে শিক্ষকদের সাথে কথা বলতে প্রতিষ্ঠানে গেলে তারা পালিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জানান, জাল সনদে কেউ এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে না।

দত্তের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বলেছেন, সরকারি নিয়ম মেনে যে সকল কাগজপত্র থাকা দরকার সেগুলো দেখে আমরা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি।

শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর বলছে, প্রতিনিয়তই জাল সনদের বিষয়ে অভিযোগ আসে। এর ভিত্তিতে ১৩’শ শিক্ষকের জাল সনদে চাকরি করার প্রমাণ মিলেছে। এদের কারও এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক এবং বিএড সনদ জাল। অধিদপ্তর বলছে ইতোমধ্যেই ১২ হাজারের ওপর শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, নিবন্ধন সনদ অর্থাৎ এমটিআরসিএ, বিএট এবং কম্পিউটার এগুলো বেশি জাল হচ্ছে। এগুলোর মাধ্যমে জাল সনদ খুব সহজেই কিনে নিচ্ছে। জাল সনদপ্রত্র এক শ্রেণির অসাধু লোক বিক্রি করছে।

তিনি আরো বলেন, এই বিষয়গুলো নিয়ে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। যা হবে অটোমেশন সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারে জাল সনদ চিহ্নিত করার বিষয়টি থাকবে।

এদিকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন জাল সনদে যারা চাকরি করছেন তারা শিক্ষার জন্য হুমকি। স্বচ্ছ শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা কমিশন গঠনের দাবিও সংশ্লিষ্টদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচর্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, যে শিক্ষকরা ইতোমধ্যেই চাকুরিতে যোগদান করেছে এবং তাদের সনদপত্র জাল বলে চিহ্নিত হয়েছে, তাদেরকে একেবারে সংক্ষিপ্তভাবে তদন্তের মাধ্যমে তাদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া দরকার।

সূত্র : ইন্ডিপেনডেট টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত