প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারি কর্মচারী আইনের কিছু ধারা বাতিল চায় টিআইবি

ডেস্ক রিপোর্ট : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-কমিটির প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারী আইনের খসড়ার কিছু বিতর্কিত ধারা অন্তর্ভুক্ত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংগঠনটি খসড়া আইনটির বেশ কিছু বিধান পুনর্বিবেচনা ও বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন , খসড়া সরকারি চাকরি আইনে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের আগে অনুমতি নেয়া, এক বছরের বেশি কারও সাজা হলে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত না করা, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অপসারণকৃত কোনো ব্যক্তিকে বরখাস্ত বা অপসারণ হতে অব্যাহতি দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ধারাগুলো কর্মকর্তাদের উন্নত পেশাদারি ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন নিশ্চিতের পরিপন্থি। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হলে অভিযোগপত্র দেয়ার আগে গ্রেপ্তার করতে সরকারের অনুমতি নেয়ার যে বিধান বহাল রাখা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক ও সাংবিধানিক চেতনার পরিপন্থী। বিশেষ করে সরকারি খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি অঙ্গীকারের সঙ্গে ধারাটি সাংঘর্ষিক এবং এর মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা খর্ব হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।

এ ধারাটি বাতিল করতে হবে। অন্যদিকে জনপ্রশাসন যেন দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে ভয়ভীতি ও চাপের ঊর্ধ্বে থেকে সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সেজন্য কিছু ধারা বাদ দেয়া জরুরি। পাশাপাশি এটাও নিশ্চিত করতে হবে যেন জনপ্রশাসনে মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অবমূল্যায়ন না হয়। এ ছাড়া সামগ্রিক স্বচ্ছতার স্বার্থে আইনটির নতুন প্রস্তাবনাসহ পূর্ণ খসড়াটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও সবার মতামত দেয়ার সুযোগ তৈরিরও আহ্বান জানান ইফতেখারুজ্জামান। সূত্র : মানজমিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ