প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে আরেকটি মেট্রোরেল, চলবে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থা আরও নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশ বান্ধব করতে উত্তরা থেকে মতিঝিল নির্মাণ করা হচ্ছে মেট্রোরেল সার্ভিস। এ প্রকল্পটি ছাড়াও বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত আরেকটি মেট্রোরেল সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এমআরটি-১ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর, ভায়া পূর্বাচল নিউটাউন নামে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রোরেল সার্ভিস নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

প্রস্তাবিত রুটে রয়েছে, বিমানবন্দর-খিলক্ষেত, নতুনবাজার-বাড্ডা, মালিবাগ-কমলাপুর এবং অপর রুটটি হচ্ছে যমুনা ফিউচার পার্ক-বসুন্ধরা-পূর্বাচল। এই ২৭ কিলোমিটার রুটের জন্য ঢাকা গণপরিবহন কোম্পানি কনসালটিং ফার্ম নিয়োগ দেবে।

পরিকল্পনা কমিশনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ৭১০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ঢাকা গণপরিবহন কোম্পানি লিমিটেড ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ৪৫০ কোটি টাকা ঋণ দেবে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবিত এ লাইনের নকশা প্রণয়নে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এরই মধ্যে প্রস্তাব পেয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, জনসংখ্যা ও যানবাহন বৃদ্ধির কারণে রাজধানীতে ক্রমান্বয়ে যানজট বাড়ছে। ২০১৩ সালে নগরীতে নিবন্ধিত যানবাহনের সংখ্যা ছিল ৯৫ হাজার ৪০০টি। ২০০১ সালে এ সংখ্যা ছিল ২০ হাজার ৫০০।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০১৬ সালের ২৯ আগস্ট সংশোধিত পরিবহন পরিকল্পনা কৌশল (আরএসটিপি) অনুমোদন করে সরকার। এতে পাঁচটি এমআরটি লাইন ও দুটি বিআরটি লাইন নেটওয়ার্ক নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের প্রাক মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের কিছু সুপারিশ অন্তর্ভূক্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বিবেচনার জন্য পেশ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাইকার সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন মেট্রোরেল প্রকল্পটি (এমআরটি-৬) ২০১৬ সালের ২৬ জুন উদ্বোধন করেন। ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের উত্তরা তৃতীয় ধাপ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০২০ সালের ডিসেম্বরে চালু হবে।

এই প্রকল্পে ১৬টি স্টেশন থাকবে এবং ২৮ সেট ট্রেন চলাচল করবে। সূত্র : আমাদের সময়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত