প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশীয় গণমাধ্যমে ফের আলোচনায় তারেক রহমান

সাইদুল ইসলাম,যুক্তরাজ্য প্রতিনিধিঃ ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারী হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেন। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সব ধরনের মিডিয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। সেই অনুযায়ী বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে বিরত থাকে। যার দরুন বাংলাদেশের গণমাধ্যম থেকে একপ্রকার হারিয়ে যেতে বসেছিলেন বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারক এই নেতা।
কিন্তু তিন বছরের ব্যবধানে আজ তারেক রহমানময় দেশের গণমাধ্যম। কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সাথে ফোনালাপ ও পাসপোর্ট বিতর্কে তিনি এখন টক অব দ্যা বাংলাদেশ। প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়া সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারেক রহমানের নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট ও বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে সরগরম। মধ্যরাতের টিভি টকশো গুলোতেও তারেক রহমানকে নিয়ে চলছে জোর তর্ক বিতর্ক । উকিল নোটিশ থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান  রাজনৈতিক দলগুলোও সকাল-বিকাল বিবৃতি দিচ্ছে তারেক রহমানকে নিয়ে। এমনকি কোন  কোন অতি উৎসাহী গণমাধ্যম  হাইকোর্টের নিষেধ অমান্য করে তারেক রহমানের ফোনালাপটি তাদের টেলিভিশনে প্রচারও করেছে।
বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে বিষয়টি একপ্রকার  মেঘ না চাইতে জল পাওয়ার মত। এবং এটিকে তারা তারেক রহমানের রাজনৈতিক  বিজয় হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। যুক্তরাজ্যে তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান আমাদের সময় ডটকমকে বলেন, ‘ তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় দেশের মিডিয়া স্বপ্রনোদিত হয়ে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার করছে’।
অপরদিকে আওয়ামীলীগ মনে করছে, বিএনপিকে রাজনীতির ফাঁদে ফেলে এতদিন থেকে লুকিয়ে রাখা যুক্তরাজ্যে তারেক রহমানের রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি  প্রকাশ করাতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং  বিষয়টি তাদের কাছে একপ্রকার রাজনৈতিক অর্জন।
এব্যাপারে আমাদের সময় ডটকম থেকে সাংবাদিক মুনজের আহমদ চৌধুরীর কাছে জানতে চওয়া হলে তিনি বলেন, এ ইস্যু‌টি সাম‌নে অানার মধ্য দি‌য়ে সরকার যেম‌নি তা‌রেক রহমা‌নের লন্ড‌নে বসবা‌সের স্ট্যাটাস যে অাশ্র‌য়ের সেটা বের ক‌রে অান‌তে পে‌রে‌ছে।
দীর্ঘদিন থেকে লন্ডনে অবস্থান করা তারেক রহমান বিভিন্ন সভা সমাবেশে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, জিয়াউর রহমান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি আদালত গ্রহণ করে তারেক রহমানের এ জাতীয় বক্তব্য বিবৃতি যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি ফেরারি থাকেন আইনের দৃষ্টিতে এসময় প্রচার করা থেকে সব প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক সোশ্যাল অনলাইন মিডিয়াকে নির্দেশ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত