প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিলুপ্ত ছিটমহলে অভিনব প্রতারণা

সাজিয়া আক্তার: পঞ্চগড় জেলার বিলুপ্ত ৩৬ টি ছিটমহলে ২ মাসে অন্তত ৩৪টি কথিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ বিদ্যালয়গুলো কে বা কারা করেছে তা জানেন না কেউ। এসব স্কুলে শিক্ষক ও অফিস সহাকারী পদে চাকরি দেওয়ার নামে একটি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল অংকের টাকা।

স্থানীয়রা বলেন, ওরা বলছে শিক্ষক নিয়োগ হলে ৬ লক্ষ টাকা দিতে হবে, আগে ৩ লাখ টাকা এবং পরে আরো ৩ লাখ টাকা। এদের নাকী উপর মহলের লোক আছে, এরাই সব ধরনের কাজ করছে।

বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, প্রধানমন্ত্রী বা তার পরিবারের সদস্যদের নাম ভাঙিয়ে রাতারাতি গড়েতোলা হচ্ছে কথীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাকরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালিক সাবেক চেয়ারম্যান মফিজার রহমান। তিনি বলছেন প্রশাসন কর্মকর্তাদের পরামর্শেই এইসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে।

পঞ্চগড় সাবেক চেয়ারম্যান মফিজার রহমান বলেন, (টেলিফোনে) আমরা এটা পরামর্শ নিয়েই করছি, প্রতি উপজেলায় দুটি করে জাতীয় কলাম করবে। এখন সচিবের সঙ্গে পরামর্শ করেছি পঞ্চগড় সদরে একটা আছে,্ তাহলে ছিটমহলে যেহেতু একটাও নাই সেহেতু আপনি আরেকটা করেণ। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো আছে সেগুলো সর্ম্পূণ মিথ্যা আমি তা কাজকে কলমে প্রমাণ করে দিব।

পঞ্চগড় ৭৩নং পাড়াতি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনুর রশিদ বলেন, এলাকার কিছু সচেতন ব্যক্তিসহ এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রয়োজন আমরা মনে করি। তাই আমরা নিজেরা এই উদ্যোগ নেই, ফলে আমরা এই কাজটা শুরু করি।

এসব স্কুল চালু না থাকলেও এই বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর একজন মন্ত্রী ও তিনজন সংসদ সদস্য আধা সরকারি পত্র দিয়েছেন। বিষয়টি জানার পর আপত্তিপত্র দিয়েছে জেলা শিক্ষা অফিস।

পঞ্চগড় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. হারুনর রশিদ বলেন, সরকারি কোনো নীতিমালার আওতায় এটা পরে না, এটাতে পাঠদানের কোনো কার্যক্রম চলেও না এবং স্কুলগুলোর নামেরো কোনো ঠিক ঠিকানা নেই। সেই কারণে এইসব স্কুলের নীতিমালা পরিবর্তিত হয়ার কারণে এই সব স্কুলের কোনোই প্রয়োজন নেই বলে আমরা মাননীয় সরকারের কাছে জানিয়েছি।

যমুনা টিভি থেকে মনিটরিং

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত