প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাজীপুর সিটি নির্বাচন
চাচা-ভাতিজা এখনও নিরব জাহাঙ্গীরের পক্ষ্যে মাঠে আজমতউল্লাহ

আবুল বাশার নূরু: গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে প্রচরাণায় নেমেছেন মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট আজমতউল্লাহ খান। প্রতীক বরাদ্দের দু’দিন পর  বৃহস্পতিবার দলীয় প্রার্থীর জন্য মাঠে নেমেছেন তিনি। তবে এখনও নিরব রয়েছেন গাজীপুর সদর আসনের এমপি জাহিদ আহসান রাসেল এবং তার চাচা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মতিউর রহমান মতি।

২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ছিলেন আজমতউল্লাহ খান। বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নানের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এবার নির্বাচনেও মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন আজমতউল্লাহ খান। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও অভিমান ভূলে নৌকার জন্য ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন তিনি।

আজ প্রচারণায় নেমে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ করেন আজমতউল্লাহ খান। একই মঞ্চে জাহাঙ্গীরের পাশে দাঁড়িয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট চান তিনি। নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীরের প্রচরাণায় আজমতউল্লাহকে দেখে হাজার হাজার উৎফুল্ল নেতাকর্মী স্লোগান দিতে থাকেন। দুই নেতাকে একসঙ্গে প্রচারণার ময়দানে পেয়ে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দেয়।

বেলা সাড়ে ৩টায় মহানগরের ৩৮নং ওয়ার্ডের কুনিয়া বড়বাড়ি এলাকার জয়বাংলা সড়ক এলাকা থেকে তারা প্রচারণা শুরু করেন তারা। বড়বাড়ি এলাকায় এক পথসভায় আজমতউল্লা খান বলেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে সকল নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। আমাদের এই বিশাল মিছিলই বলে দেয় আগামী ১৫ মে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত। তিনি আরও বলেন, নৌকা তথা অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলমকে জয়ী করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা রাজি আছি। দক্ষিণ খাইলকুর বাহার মার্কেটের সামনে দ্বিতীয় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আজমত উল্লা খান ও জাহাঙ্গীর আলমকে পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। পরে ওই দুই নেতা ৩২ এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

জানা গেছে, গাজীপুর সদর আসনের এমপি জাহিদ আহসান রাসেল নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত নিরব রয়েছেন। সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রচারণা চালানো আইনগত বাঁধা- নিষেধ থাকলেও তার চাচা মতিউর রহমান এখনও প্রচারণায় নামেননি। এনিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী আজমতউল্লাহ খানের পক্ষ্যে চাচা-ভাতিজার ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। তাদের অনুসারীরা বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ্যে গোপনে কাজ করেছিল।

আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৫৭ টি সাধারণ ওযার্ড ও ১৯ টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৯১ হাজার ১০৭ জন পুরুষ এবং ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৮ জন নারী ভোটার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত