প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোচিং না করায় ৩২ শিক্ষার্থীকে টিসি

মো. আল মামুন খান, ধামরাই : বিদ্যালয়ে কোচিং করতে রাজী না হওয়ায় নবম শ্রেণির ৩২ শিক্ষার্থীকে টিসি দিয়ে বের করে দেবার অভিযোগ উঠেছে। ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া ভোলানাথ স্কুল ও কলেজে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।

টিসি দেওয়ার প্রতিবাদে গতকাল বুধবার দুপুরে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণ প্রধান শিক্ষক আবজাল হোসেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি জগদীশ পাল সহ অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল করে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া ভোলানাথ স্কুল ও কলেজের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিং ক্লাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে সরকারি নিষেধ রয়েছে। এরপরও প্রতিমাসে শিক্ষার্থীদেরকে কোচিং ফি হিসেবে ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়।

এই কোচিং ফি এর সিংহভাগই প্রধান শিক্ষক এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতির পকেটস্থ হয়। যাদেরকে টিসি দেওয়া হয়েছে তারা এত টাকা কোচিং ফি দিতে অস্বীকার করায় তাদেরকে ২৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকালে টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেয় প্রধান শিক্ষক আবজাল হোসেন।

শিক্ষার্থীরা এ কোচিং অবৈধ এবং প্রতি মাসে এত টাকা দিয়ে কোচিং করা তাদের পক্ষে অসম্ভব জানায়। এজন্য হিমেল, মনির, শিপন, ফারুক, জোবায়ের, সাইফুল, রাজু, সুজন সহ ৩২ জন শিক্ষার্থী ২৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) কোচিং ক্লাস না করায় দুপুরে তাদেরকে টিসি দিয়ে বের করে দেয়া হয়।

এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আবজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিবনি বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির হস্তক্ষেপে কোচিং ক্লাস চালু করা হয়। তবে টিসি দেওয়ার বিষয় একেবারে সত্যি নয়, বেলীশ্বর স্কুলের প্রধান শিক্ষক ভর্তির আশ্বাস দেয়ায় আমাদের শিক্ষার্থীরা টিসি চেয়েছে বিধায় তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।

তবে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি জগদিশ পাল টিসি দেবার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মুঠোফোনে ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেনি।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালা জানান, প্রধান শিক্ষককে ডাকা হয়েছিলো। টিসিপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে ফেরত নেওয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ