প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রবাসী শ্রমিকদের অসচেতনতায় বাড়ছে সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ঝুঁকি

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রায় সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে হচ্ছে। তাই এই অগ্নিকাণ্ডে বাড়ছে দুর্ঘটনা এবং হতাহতের ঘটনা। আর জন্য নিম্নমানের আবাসন ব্যবস্থাকে দায়ী করছেন প্রবাসীরা। এদিকে শ্রমিকদের অসচেতনতাকে দায়ী করছেন সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস।

সৌদি আরবে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে বাড়ছে প্রবাসীদের প্রাণহানির ঘটনা। বাংলাদেশি হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এর জন্য নিরাপদ আবাসন সংকটকে দায়ী করছেন প্রবাসীরা। প্রাণহানি এড়াতে, নিরাপদ বাসস্থান ও কর্মস্থান নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা।

ছোট্ট একটি কক্ষে কোনো মতো একজন লোক থাকতে পারে। অথচ সেখানে থাকতে হচ্ছে ৭ জনকে। এতো অল্প জায়গার মধ্যেই গ্যাস সিলিন্ডারসহ রান্নার আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র, কাপর-চোপড়, আসবাবপত্র সবই রাখতে হচ্ছে তাদের। এছাড়া বাসায় আসতে পাড়ি দিতে হয় সরু গলি। কোনো রকম দুর্ঘটনা ঘটলেও, ওখান থেকে বের হয়ে রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই।

বাংলাদেশি শ্রমিকরা বলেন, রুমের মধ্যে যে আমরা গ্যাস রাখি, না হলে আমরা কি করবো? আমরা তো অভিযোগ করি। কিন্তু আমাদের কোন কথাই শোনে না।

সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রায় সবাইকে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে হচ্ছে। দুর্ঘটনা এবং হতাহতের ঘটনার জন্য নিম্নমানের আবাসন ব্যবস্থাকে দায়ী করেন প্রবাসীরা। চলমান এই সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কর্মকর্তা সরোয়ার আলম বলেন, প্রবাসীরা একটু সচেতন হলে অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

ঝুঁকিপূর্ণ বাসস্থানের কারণে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। এরমধ্যে ১৩ই এপ্রিল রিয়াদে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৮ বাংলাদেশি নিহত হন। এর কদিন পরই ১৮ এপ্রিল পূর্বাঞ্চলীয় হাইল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে আরও সাত বাংলাদেশি মারা যান।

সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ