প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত আসারাম-সহ ৩

রাশিদ রিয়াজ : ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন ভাররতর স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু আসারাম বাপু।২০১৩ সালে এক কিশোরীর ধর্ষণ মামলায় তিনি ছাড়াও আরও দুই অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ২ জনকে বেকসুর খালাস করেছে যোধপুরের বিশেষ আদালত। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বছর ১৬-র এক কিশোরীকে আশ্রমে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ছিল আসারামের বিরুদ্ধে।

ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন স্বঘোষিত গুরু আসারাম বাপু। ২০১৩ সালে এক কিশোরীর ধর্ষণ মামলায় তিনি ছাড়াও আরও দুই অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ২ জনকে বেকসুর খালাস করেছে যোধপুরের বিশেষ আদালত।

আসারামের ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ও তার জেরে অশান্তির ঘটনা রুখতে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলেই হয় রায়দান। গত অগাস্টে গুরমিত রাম রহিমের মামলায় রায়দানের পর যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল তার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি প্রশাসন।

রায়দানের পর আসারামের মুখপাত্র নীলম দুবে জানিয়েছেন, ‘আমাদের আইনি দলের সঙ্গে আলোচনা করব। তারপরই সিদ্ধান্ত নেব যে কোন পথে এগোন হবে। বিচারব্যবস্থার উপর আমাদের আস্থা রয়েছে।’

আসারাম দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর নিগৃহীতার বাবার প্রতিক্রিয়া, ‘আশা করি আসারামের কঠোর শাস্তি হবে। এই মামলায় যাঁরা অপহৃত হয়েছে বা হামলার মুখে পড়েছে, আমি চাই তাঁরাও বিচার পান।’

উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বছর ১৬-র এক কিশোরীকে আশ্রমে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ছিল আসারামের বিরুদ্ধে। পক্সোর বিভিন্ন আইন, জ্যুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট ও ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল আসারাম ও চারজনের বিরুদ্ধে। এই চারজন হলেন শিব, শিল্পা, শরদ ও প্রকাশ। ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে চার্জশিট পেশ করা হয়। গত কয়েক বছরে এই মামলার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে হামলার মুখে পড়তে হয়। অনেকে আবার নিখোঁজ হয়ে যান।

আসারাম বাপুর জীবনের বেশ খানিকটা অংশ ছড়িয়ে রয়েছে আজমেরের পথে। যৌবনে রোজগারের জন্যে আজকের ‘বাপু’ টাঙাওয়ালার কাজ করতেন। আজমের টাঙা ইউনিয়নের সদস্য পান্না উস্তাদ জানিয়েছেন, ‘গডম্যান হিসেবে খ্যাতি পাওয়ার পরেই আমরা ওকে চিনতে পারি।’
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার আসারাম ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা হল। ধর্ষণকাণ্ডে বিশেষ আদালত আসারামকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। কিন্তু জানেন কি আসারাম বাপু জীবনের শুরুতে টাঙাওয়ালা ছিলেন? অবাক লাগছে? তাহলে এই স্বঘোষিত ‘গডম্যান’ সম্পর্কে জেনে নিন আরও কিছু তথ্য।

আসারাম বাপুর জীবনের বেশ খানিকটা অংশ ছড়িয়ে রয়েছে আজমেরের পথে। যৌবনে রোজগারের জন্যে আজকের ‘বাপু’ টাঙাওয়ালার কাজ করতেন। নাম ছিল আসুমাল সিন্ধি। আজমের শরিফের দরগায় পুণ্যার্থীদের টাঙা করে পৌঁছে দিতেন আসারাম। দু’বছর এভাবেই কোনও রকমে দিন কাটিয়েছেন। এখনও বহু পুরনো টাঙাওয়ালা আসারামকে মনে রেখেছেন খুবই সাধারণ টাঙা চালক হিসেবে। আজমের টাঙা ইউনিয়নের সদস্য পান্না উস্তাদ জানিয়েছেন, ‘গডম্যান হিসেবে খ্যাতি পাওয়ার পরেই আমরা ওকে চিনতে পারি।’

আসারামের জন্ম পাকিস্তানের সিন্ধ-এ। মাত্র সাত বছর বয়সে তাঁর পরিবার গুজরাতে চলে আসে। ১৯৬৩ সালে আসুমাল আজমের পাড়ি দেন। প্রবীণ আইনজীবী চিরঞ্জিত্‍ সিং ওবেরয় জানিয়েছেন, ‘আসুমালের বাবা পরিবার নিয়ে পরে আজমের চলে আসেন। সেখানে খারি কুই-তে তাঁরা বাস করতেন। আসুমাল খুবই পরিশ্রম করতেন। দেশ ভাগের পর পরিবার যে দুর্দশার মধ্যে দিয়ে গেছে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে রাতদিন খাটতেন তিনি। টাইমস অব ইন্ডিয়া

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত