প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫ বছরেও উন্নয়নের ছাপ পড়েনি গাজীপুর সিটিতে, হতাশ নগরবাসী

হ্যাপী আক্তার : দেশের সবচেয়ে বড় নগরী গাজীপুর সিটি করপোরেশন। গত ৫ বছরে নগরীতে উন্নয়নের ছাপ পড়েনি বিন্দুমাত্র। নামে সিটি করপোরেশন হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় প্রায়ই তলিয়ে থাকে নগরীর সব রাস্তাঘাট। তাই ভোটারদের চাওয়া এলাকার উন্নয়নে আসছে সিটি নির্বাচনের জনপ্রতিনিধি যেন উন্নয়ন বান্ধব হয়। উন্নয়ন না হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একে অপরকে দায়ী করে বলছে, এবার মেয়র নির্বাচিত হলে গাজীপুরকে আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলবেন তারা।

দেশের সবচেয়ে বড় নগরী গাজীপুর সিটিতে হালকা বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়ে এলাকাবাসী। একেতো ভাঙাচোরা রাস্তা, তারপরে আবার হাঁটু সমান পানি, তাই অদৃশ্য গর্তে পড়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনার ঘটনা।

নগরবাসী বলছেন, ৫ বছর আগে কাগজে কলমে গাজীপুর সিটি করপোরেশন হলেও নগরীতে উন্নয়নের আঁচড় পড়েনি এক চুলও। তাছাড়া নগরীর টেকসই উন্নয়নে ৫৭টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করছেন সিটির নগরবাসী।

সরকারের অসহযোগিতার কারণে গেলো ৫ বছর উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি দাবি করে বিএনপির মেয়র প্রার্থী বলছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে নগরীর রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। তবে বর্তমান মেয়র উন্নয়নের চেয়ে দলবাজিতেই বেশী মনোযোগী থাকায় নগরীর এই দুরবস্থা দাবি করে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী বলছেন, নির্বাচিত হলে বিদেশী সহায়তা নিয়ে গাজীপুরকে মডেল নগরীতে রূপান্তর করা হবে।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে বিরোধী দলের যিনি মেয়র ছিলেন, তিনি নগর নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করেন নি। তিনি বিরোধী দল হিসেবে শুধু দলবাজি করেছেন। আমি চায়না এবং জাপানের মাস্টার প্লানে নিজেই একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছি। এলাকার বিনিয়োগ ব্যবস্থা ও রাস্তা ঘাটের সম্পূর্ণ একটি প্যাকেজ তৈরি করা হয়েছে।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, ‘আমাদের মেয়র পাঁচ বছরে ২২ মাস কারাগারে ছিলো, যে কারণে তিনি কাজ করতে পারেন নি। এলাকার উন্নয়নে একটি মাস্টার প্লান থাকতেই হবে। সেজন্য রাস্তাঘাট তো থাকতেই হবে। মূল সড়ক হয়েছে তারপরে শাখা সড়কগুলো করা হবে।

সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত