প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাগারে বন্দি রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, সরকারকে অনুরোধ করছি, কালবিলম্ব না করে খালেদা জিয়াকে দেশের স্পেশালাইজড হাসপাতালে (ইউনাইটেড হাসপাতাল) পাঠিয়ে চিকিৎসা দেয়ার জন্য।

মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্টের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ সমিতির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ। তিনি বিভিন্ন জটিল রোগে শয্যাশায়ী। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। একজন বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেত্রীকে নির্জন কারাগারে বন্দি রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, যে কারা অন্তরালে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে এই কারাগারটি বর্তমানে কোনো সিডিউল কারাগার না। এটি একটি নির্জন জাদুঘর। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে এখানে রেখে অসুস্থ বানিয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। আইনজীবী সমিতির সভাপতি আশাবাদ ব্যক্ত করে আরও বলেন, আমরা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি আস্থাশীল। আশা করি, আগামী ৮ মে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সবদিক বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে জামিন দেবেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জয়নুল আবেদীন বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাসপোর্ট জমা দেয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সঠিক কথা বলেননি। তিনি বলেন, ‘সরকার বলছে তারেক রহমানের কাছে পাসপোর্র্ট নেই, তিনি সেটি সারেন্ডার করেছেন।’ দেশবাসীর উদ্দেশে বলতে চাই পাসপোর্ট হচ্ছে একটা ট্রাভেল ডকুমেন্ট।

এই ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে তারেক রহমান লন্ডনে গিয়েছিলেন। পরে ব্রিটিশ ল’ মোতাবেক তিনি এ পাসপোর্টটি ব্রিটিশ অথরিটির কাছে হস্তান্তর করেন। কারণ সেখানে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। পরে ২০১২ সালে ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট থেকে তাকে আরেকটি ট্রাভেল পাসপোর্ট দেয়া হয়। কাজেই তারেক রহমান নাগরিকত্ব হারিয়ে ফেলেছেন সে কথাটি আইনগতভাবে সঠিক নয়।

এ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্য তিনি অনুরোধ করেন। সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ২০১৪ সালে তারেক রহমানের পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে কাগজটি দেখিয়েছেন সেটি জাল কিনা এ নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ ইংল্যান্ডে কখনও ‘অ্যাম্বাসি’ বলে সম্বোধন করে না সেখানে হাইকমিশন বলা হয়। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য। আমরা এর নিন্দা জানাই। সূত্র : যুগান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত