প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্যাগে তরুণীর অর্ধেক মৃতদেহ
ক্লু পাচ্ছেনা পুলিশ, উদ্ধার হয়নি বাকি অংশ

সুশান্ত সাহা : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়কে ট্রলি ব্যাগের ভেতর তরুণীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ১২ দিন পার হলেও কোন ক্লু পায়নি পুলিশ। এছাড়াও জানা যায়নি ওই তরুণীর পরিচয়। পাশাপাশি কেউ খোঁজ নিতেও আসেনি থানা ও মর্গে। পরিচয় না পাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িতদের খুঁজে বের করতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। এমনকি ওই মৃতদেহের বাকি অংশ (মাজা থেকে মাথা) উদ্ধার করতে পারেনি তারা।

জানা যায়, যে স্থানে ওই ব্যাগটি পড়ে ছিল তার আশেপাশে কোন সিসি ক্যামেরা ছিল না। তবে পুলিশ ওই স্থানের আসে পাশের সড়কের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ বলেন, ব্যাগটি কুতুবখালী রাস্তার দক্ষিণপাশে ছিল। যে ব্যাগটিতে মৃতদেহ পাওয়া যায় তা ভ্রমণের সময় ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের ব্যাগ বহন করলে কারও সন্দেহ হওয়ার কথা নয়। প্রত্যক্ষদর্শীরাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সেদিন সড়কের পাশে ব্যাগ দেখে অনেক মানুষ জড়ো হয়। একজন কৌতূহলবশত ব্যাগের চেইন খুলতেই মৃতদেহ দেখতে পায়। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর লাশের খণ্ডিত অংশ ব্যাগে ভরে মহাসড়কের পাশে এনে ফেলা হয়। ওখানে সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস থেকে মানুষ নামে।

ডেমরা জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখারুল আলম বলেন, আনুমানিক ২২ বছর বয়সী নারীর কোমর থেকে নিচের অংশ ব্যাগে পাওয়া গেছে। ওই তরুণীর দেহের উপরের অংশ পাওয়া যায়নি। কোনো পোশাকও ছিল না। কেউ থানায় এসেও অভিযোগও করেনি। তাই কোনো ক্লু পাওয়া যাচ্ছে না। নিহতের পরিচয় খোঁজা হচ্ছে। পরিচয় পাওয়া গেলে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, ওই তরুণীর পরিচয় জানতে দেশের সকল থানায় ম্যাসেজ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত কোন থানা থেকেও যোগাযোগ করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দৃর্বৃত্তরা হত্যা করে লাশ গুম করার জন্যই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা ব্যাগে ভরার হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার খবর পেয়ে পুলিশ কুতুবখালী প্রধান সড়কের পাশে পড়ে থাকা ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে দেহখ-টি উদ্ধার করে তরুণীর খ-িত অশংটি ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় পুলিশ। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত