প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারের প্রভাবে থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা এ ইসির পক্ষে সম্ভব নয়

রুহুল অামিন : নির্বাচন কমিশনকে অাগে শক্তিশালি হতে হবে, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ কালো টাকা মুক্ত নির্বাচন করতে ইসিকে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। সরকারের প্রভাবে থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা এ ইসির পক্ষে সম্ভব নয়।

সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে (ডিঅারইউ) গণতান্ত্রিক ইসলামী মুভমেন্ট অায়োজিত “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : জনগণের প্রত্যাশা” বিষয়ক গোলটেবিল অালোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

নির্বাচন অাসে যায় কিন্তু জনগণের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না। একটি রাজনৈতিক দল অনেক কাঠখড় পুরিয়ে যখন ক্ষমতায় অাসার পর তাদের অার পিছনের কথা মনে থাকে না দাবী করে বক্তারা বলেন, জনগণের সামনে যে ওয়াদা করে ভোট নিয়ে সরকার গঠন করে তার কোন হিসাব থাকে না। বাংলাদেশে যে দল গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন করে ক্ষমতায় যায় তারপর সে দলই গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করতে চায়।

গোলটেবিল অালোচনা বক্তরা অারও বলেন, দেশের মানুষ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর মত নির্বাচন অার দেখতে চায় না। সরকার অনুরোধ করে বলবো এধরণের নির্বাচন করে দেশে ও জাতিকে তামাশার পাত্র বানাবেন না।

কালো টাকার প্রভাব মুক্ত কালোবাজারি ও দুর্নীতিবাজদের নির্বাচন থেকে মুক্ত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ নিতে হবে। অালোচকরা তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ করে বলেন, জাতিকে তরুণ ভোটারা সঠিক পথে নিয়ে অাসতে পারে ১৮ সালের নির্বাচনে প্রায় এককোটি ভোটার অাছে যারা একেবারে তরুণ তারা চাইলে একটা অবাধ্য সমাজ ব্যবস্থাকে হাতে ধরে সঠিক পথে অাসতে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে বাধ্য করতে পারে।

অামাদের দেশের রাজনৈতিকদের গণতন্ত্র চর্চা যেন হায়দারাবাদের রাজনৈতিক নেতাদের মতো না হয়ে যায়। হায়দারাবাদকে যেমনি ভারত দখল করে নিয়েছে তা থেকে অামাদের শিক্ষা নিতে হবে সর্তক হতে হবে।

বক্তারা অারও বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র এখন প্রশ্নের সম্মুক্ষীণ তা থেকে ২০১৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ফিরে অাসতে হবে। হারানো সম্মান যতদুর সম্ভব পারাযায় ফিরিয়ে অানতে হবে তা করতে অাওয়ামী লীগ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারকে সবদলকে নির্বাচনে অংশগ্রহন করা নিশ্চিত করতে হবে। সকল রাজনীতি দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহনে সুযোগ করে দিতে হবে। জনগণ কিন্তু এখন অার বোকা নয় জনগণ সচেতন ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করুণ শোষণমুক্ত দারিদ্র ও ক্ষুদামুক্ত সমাজ গড়ে জনতার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটান।

‘অামার ভোট অামি দেবো যাকে খুশি তাকে দেব এ স্লোগানকে সামনে রেখে জনগণের ভোটের অধিকার সুষ্ঠু ভাবে প্রয়োগ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে অাওয়ামী লীগ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে।’

দুনিয়ার অন্যান্য দেশে যেমন নির্বাচন হয় অামাদের দেশেও তেমন নির্বাচন হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ বক্তব্যের সমালোচনা করে বক্তরা বলেন, অাগে দুনিয়ার অন্যান্য দেশের মত পরিপক্বতা অর্জন করেন তারপর নির্বাচন করেন।

গণতান্ত্রিক ইসলামী মুভমেন্ট অায়োজিত গোলটেবিল অালোনায় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, ডাক্তার, ধর্মীয় ব্যক্তি ও নারী নেত্রীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে প্রায় বিশজন ব্যক্তি বক্তব্য রাখেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত