প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমাদের সময়.কম এ সংবাদ প্রকাশের পর, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিকে ড্রেজার বন্ধের নির্দেশ

জাহিদুল হক চন্দন,মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদীতে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলনন করে আসছিল বালু ব্যবসায়ীরা। গত ২০ এপ্রিল আমাদের সময়.কম “হুমকির মুখে বেউথা ব্রীজ,ফসলি জমি ও বসতভিটা” শিরোনামে এ সংবাদ প্রকাশের পর ড্রেজার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রসাশন।

সূত্রে জানা যায়,বালুমহল হওয়া সত্ত্বেও নিয়মানুযায়ি বালু উত্তোলন না করায় একদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব অপরদিকে হুমকির মুখে রয়েছে বেউথা ব্রীজ, নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটা। সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীরাই এ বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে।

বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ বিধি ৪ এর খ তে বলা হয়েছে,সেতু কালভার্ট,ড্যাম,ব্যারেজ,বাধঁ,সড়ক,মহাসড়ক,বন,রেল লাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রেসরকারি স্থাপনা হইলে,অথবা আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটার হইলে বা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কতৃক নির্ধারিত সীমানার মধ্যে হইলে এবং গ তে বলা হয়েছে, বালু বা মাটি উত্তোলন বা বিপননের উদ্দেশ্যে ড্রেজিংয়ের ফলে কোন নদীর তীর ভাঙ্গনের শিকার হইতে পারে এরুপ ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গেলে জানা যায়,জেলা পরিষদের সদস্য আবুল বাশার,পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তাপস সাহা,প্রণয় কুমার তুষার,বাবর,সেকেন্দার মোল্লা,জুয়েল খান,সোহেল হোসেন নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন।আশেপাশের বিভিন্ন ডোবা নালা ভরাট করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পাল্টে যাচ্ছে। এ সকল ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর ভাঙ্গনে সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রসাশক নাজমুছ সাদাত সেলিম বলেন,প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়েছে। এছাড়া তাপস সাহা ও বাবরকে ড্রেজার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত