প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতে শিশু ধর্ষণের সাজা মৃত্যুদ, স্বাগত জানালো বাংলাদেশের নারী অধিকারকর্মীরা
নিজ দেশে নারীদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আর্জি

সাজিয়া আক্তার: ভারতে শিশু ধর্ষণকারির বিচারে মৃত্যুদন্ডের মত কঠোর আইন প্রণয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের নারী অধিকারকর্মী ও সাধারণ মানুষ। তাদের মতে নারীর উপর যে কোনো সহিংসতা বন্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করা উচিত।

কাশ্মীরে শিশু আঁখিকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারটি তীব্র আন্দোলনের মুখে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে পরিবর্তন আনলো ভারত সরকার। ৬ বছরের মধ্যে একই আইনে দুই বার পরিবর্তন আনলো বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারত। প্রতিবেশী দেশের এমন উদাহরণে এদেশের মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ মানুষ।

সাধারণ মানুষ বলেন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের জন্য মৃত্যুদ-ের মত শক্ত করে যদি একটা আইন করা হয় তাহলে মানুষ ভয়ে এই ধরনের জঘণ্য কাজ থেকে বিরত থাকবে। আইনের প্রয়োগ যদি সঠিকভাবে হয় তাহলে নতুন নতুন আইন প্রয়োগ করার খুব একটা প্রয়োজন নেই। যে আইন আছে সেটার শক্ত প্রয়োগ দরকার।

কিন্তু নারী ধর্ষণ মামলায় বিচারহীন দীর্ঘ সূত্রের অভিযোগ রয়েছে। ধর্ষণের আলামত তদন্ত কার্যক্রম আর আইনের নানা বাধ্যবাধকতা থাকায় নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুরা বিচার পায় না।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম বলেন, ভারতের এমন আইন পুরো দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার জন্য একটি বার্তা। শিশু ধর্ষণকারীর অপরাধ একটা চরম অপরাধ হিসেবে আমাদের নিতে হবে। দেশে ধর্ষণের বিচারের জন্য করা ২০০০ সালের আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন। তবে শিশুর ক্ষেত্রে আলাদা কিছু উল্লেখ নেই। আর ধর্ষণ জনিত মৃত্যুর জন্য অপরাধিকে মৃত্যুদ- দেয়ার কথা আছে। ১৮০ দিনের মধ্যে ধর্ষণ মামলার বিচার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মামলা চলে দিনের পর দিন। পুলিশের তথ্য বলছে বিগত ১৬ বছরে ৭৩ শতাংশ ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার মামলা নিষ্পত্তি হয়নি।

আয়েশা খানম আরো বলেন, বাংলাদেশে নারী ও শিশু হয়রানির শিক্ষার হলে তার মামলার বিচারকার্যে এতই ধীরগতি প্রক্রিয়ায় চলে যে ভুক্তভোগী বিচার পাবে কিনা, সেজন্য হতাশায় ভোগে।

ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীর সাজা মৃত্যুদ- করার দাবি জানিয়েছে আসছে কয়েকটি সংগঠন।

যমুনা টেলিভিশন থেকে মনিটর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত