প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পানিশূন্য তিস্তা, অর্থ কষ্টে মৎস্য চাষিরা

নদী মাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি জেলেদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান উৎস হচ্ছে দেশের নদীগুলো। তবে কালে কালে দেশের অনেক নদীকেই মরা বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। একই অবস্থা তিস্তা ও বুড়ি তিস্তাসহ নীলফামারীর প্রধান সবগুলো নদীই এখন প্রায় পানিশূন্য অবস্থায় আছে। নদীগুলোর সাথে সংযুক্ত খাল বিলগুলোতেও এর প্রভাব পড়েছে। এতে, মাছ চাষ করতে না পারায় চরম অর্থ কষ্টের সাথে সাথে বেকার দিন কাটাচ্ছে এলাকার মৎস্য চাষিরা। তবে মৎস্য চাষিদের কষ্ট লাঘবে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য মতে নীলফামারী জেলায় ছোট বড় ২০টি নদী রয়েছে। আর মৎস্য চাষির সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার। এই বিপুল সংখ্যক চাষিদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র নদীগুলোর মধ্যে তিস্তা ও বুড়ি তিস্তা এখন অনেকটাই পানিশূন্য। এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য নদী ও খাল বিলগুলোতেও। যে কারণে এলাকার বেশিরভাগ মৎস্য চাষি এখন বেকার সময় কাটাচ্ছেন। জুটছেনা বিকল্প কর্মসংস্থানও। তাই অর্থকষ্টে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এমন দুর্দিনে পর্যাপ্ত সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।

অন্য দিকে জেলা অসহায় এসব মৎস্য চাষিদের ভাগ্য বাদলাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন জেলা মৎস্য বিভাগের এই শীর্ষ কর্মকর্তা

মাৎস্য চাষিরা বলেন, মাছ ধরতে খুব কষ্ট হয় কোন রকমে আল্লাহ সংসার চালায়। কোন রকমে দিন যাচ্ছে। এখন চালের দাম বেশি। টাকা পয়সার খুব অভাব। ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে মাছ মারি আমরা আজ পর্যন্ত কোন সরকারি অনুদান পায়নি।

মৎস্য চাষিরা বলছেন, নদীর পানির উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে সব ধরনের জলাশয়গুলো পুনঃখননের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি তিস্তা সেচ ক্যানেলের দীর্ঘ জলাশয় মাছ চাষের উপযোগী করে চাষিদের জন্য বরাদ্দ দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

মৎস্য চাষিরা বলেন, আমাদের দাবি ৯৩ কিলোমিটারের জলাধারের সুষ্ঠু ব্যবহার হোক। এখানে মাছের উৎপাদন বাড়ুক। মাছ চাষিদের সাহায্য সহযোগীতা করার জন্যে সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউফ বলেন, আপদ কালীন সময়ে জেলেদের কোন প্রণোদনা দিতে পারি কিনা তা বর্তমান সরকারের রয়েছে। সেগুলো আসলে আমরা মাছ চাষিদের মাঝে বিতরণ করার পরিকল্পনা মৎস্য বিভাগে রয়েছে। সূত্র : সময় টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত