প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাজীপুর সিটি
নির্বাচনের সময় ভোট চাইতে আসে, তারপর আর চিনে না

সমস্যার যেন শেষ নেই গাজীপুর সিটিতে। প্রধান প্রধান সড়কের অবস্থা কোনো রকম ঠিক থাকলেও, পাড়া-মহল্লার ভেতরে রয়েছে বেহাল দশা। কাউন্সিলররা নির্বাচন আসলে বাড়িতে এসে ভোট চায়, কিন্তু ভোট চলে গেলে ওরা আর চিনেন না বলে অভিযোগ করেছেন নগরবাসীরা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ নগরবাসীর অভিযোগের তীর যতটা না মেয়রের দিকে, তারচেয়ে বেশি সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলরকে ঘিরে।

আইনি জটিলতায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদটি দীর্ঘদিন শূণ্য থাকায় নগরবাসীর প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু ছিল স্ব স্ব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। কিন্তু প্রাপ্তি প্রায় শূণ্যের কোঠায়।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, কাউন্সিলরদের কাজের পরিধি সুনির্দিষ্ট না থাকায় এ পদের সুফল থেকে প্রতিনিয়তই বঞ্চিত হচ্ছেন নগরবাসী।

নগরবাসীরা বলেন, কাউন্সিলররা কোনো খোঁজ রাখেন না। রাস্তা-ঘাটের বেহাল দশার কথা বললে তারা বলেন, দেখবো, দেখছি। আমরা তো সব সময় মেয়রের কাছে যেতে পারিনা। নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পরেও নিস্ক্রিয় ভূমিকাতেই ছিলেন কাউন্সিলররা।

নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে অভিযোগ পাওয়া যায়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন, জলাবদ্ধতা নিরসনসহ নানাবিধ সমস্যায় কাউন্সিলরদের অধিকাংশই থাকেন অনেকটা নিস্ক্রিয়।

সিটি করপোরেশনের সফলতা-ব্যর্থতায় আলোচনা-সমালোচনা কিংবা দায়ভার, সবকিছুই যখন মেয়রকে ঘিরে, তখন কোন না কোনভাবে পার পেয়ে যাচ্ছেন কাউন্সিলররা। এক্ষেত্রে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরী বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

টঙ্গী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার মতে প্রথমে কাউন্সিলর শুরু করবেন যে এই কাজটি প্রয়োজন। তারপরের কাজটি মেয়রের তিনি কাজটি শুরু করবেন কি করবেন না।

১৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গাজীপুর সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন ২৭৫ জন। আর ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বিপরীতে নারী প্রার্থী ৮৪ জন। সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত