প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টমেটো চাষ করে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না চাষিরা

রাজধানীর বাজারের প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। অথচ মাঠ পর্যায়ে দাম পাচ্ছে না চাষিরা। দিনাজপুরে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ টাকায়। এতে উৎপাদন খরচ উঠছে না চাষিদের। তাই অনেকেই টমেটো জমিতেই ফেলে রাখছেন।

জমি থেকে টমেটো সংগ্রহের পর দূর দুরান্ত থেকে টমেটো নিয়ে আরতে আসছেন কৃষক। তবে সেই তুলনায় ক্রেতার ভিড় নেই। দিনাজপুরে প্রতি কেজি টমেটো পাইকারে বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ টাকায়। দুপুর গড়ালে দাম আরো নেমে যায়। এতো কম দামে সবজি বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।

চাষীরা বলেন, যে টমেটো সকাল বেলা  বিক্রি হয় ২০০ টাকা, সে টমেটো বিকালে ১০০ টাকাও বিক্রি হয় না। টমেটোর দাম কম থাকায় টমেটো জমিতেই নষ্ট হচ্ছে।

জানযটে আটকে যাচ্ছে পণ্য, তার সাথে যোগ হয়েছে পরিবহনের অতিরিক্ত খরচ। টমেটোর দাম পরে যাওয়ার জন্যই এসব কারণকেই দুষছেন পাইকাররা।

পাইকাররা বলেন, জানজটের কারণে গাড়ি প্রতিদিন বাজার পাচ্ছে না। তাই আমরা মালের সঠিক মূল্য পাচ্ছি না। আমাদের ব্যবসা সুবিধা হচ্ছে না। আমাদের যা খরচ তা সব মিলিয়ে আমাদের আরো ২ থেকে ৪ হাজার টাকা লস হয়ে যায়। কয়েক বছর ধরে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় টমেটো চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে চাষিরা। এজন্য আধুনিক বাজার ব্যবস্থা হিমাগার নির্মাণের কথা বলছে কৃষক সমিতি ও কৃষি বিভাগ।

দিনাজপুর হর্টিকালচার সেন্টার উপ-পরিচালক প্রদিপ কুমার গুহ বলেন, বাজার ব্যবস্থা ও দুরঅবস্থার কারণে এবং ভাল মূল্য না পাওয়ার কারণে লক্ষমাত্রা নেমে প্রায় সারে ১১’শ হেক্টরের মত জমিতে এবার টমেটো আবাদ হয়েছে । এবং আমরা আশা করছি প্রায় ৭ হাজার মেট্্িরকটন টমেটোর আবাদ হবে।

দিনাজপুর শাখা বাংলাদেশ কৃষক সমিতি সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি দীর্ঘদিন ধরে দাবি তুলছে দিনাজপুরের টমেটো চাষিদের জন্য সরকারি উদ্যোগে হিমাগার নির্মাণ করতে হবে।

সূত্র: যমুনা টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ