শিরোনাম
◈ যে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের লাখ টাকা অনুদান দেবে সরকার ◈ টানা ছুটিতে জমজমাট কক্সবাজার, পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ◈ কুমিল্লার লাকসামে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের ৩ বগি লাইনচ্যুত, আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ◈ সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ যুদ্ধ এড়াতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তান ও কাতারের নতুন মধ্যস্থতা প্রস্তাব ◈ সন্ধ‌্যায় বাংলা‌দেশ-আফগা‌নিস্তান মু‌খোমু‌খি, ফাইনালে যেতে টাইগার‌দের সামনে কঠিন সমীকরণ ◈ ৫০ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণার পর সেই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার ◈ বাংলাদেশ-নেপালের সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের তুলনা নাকচ করলেন অভিজিৎ দিপকে ◈ নগদনির্ভর লেনদেনে বছরে ৯৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার ◈ মা‌ছের পোনা কিন‌তে খরচ ২ কো‌টি ৯০ লাখ টাকা, সেই পোনা বাঁও‌রে ছাড়তে খরচ ৪৫ কোটি: মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০১৮, ১১:১৬ দুপুর
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০১৮, ১১:১৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান

শীলাবৃষ্টিতে টিন ফুটো ও প্রচন্ড ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিনের চাল উড়ে যায়। ফলে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পরে বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেনীকক্ষ। তাই প্রচন্ড রোদেও শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়া হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। আর বৃষ্টি হলে দিতে হচ্ছে ছুটি।

সড়েজমিনে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায় এমন দৃশ্য।

জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি পাঠদানের অনুমতি পায় ২০০১ সালে। ২০০৪ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি পায়। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২১৮ জন। গত ৩০ মার্চ শুক্রবার সকালে প্রথমত শিলা বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের সব টিনের চালা ফুটো হয়ে যায়। ফুটো হওয়া টিনের মেরামত করতে না করতেই আবারো ১২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে প্রচন্ড ঝড়ে বিদ্যালয়ের সব টিনের চালা উড়ে যায়। কত গুলো টিনের চালা বিদ্যালয় মাঠে পরে বা গাছের ডালে আটকে আছে। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের রুমটি ঠিক থাকলেও বাকি সব শ্রেনী কক্ষ ক্লাশ নেয়ার অযোগ্য হয়ে পরেছে।

সড়ে জমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠে প্রচন্ড রোদে খোলা আকাশের নিচে বেঞ্চে বসে আছে শিক্ষার্থীরা আর দাড়িয়ে দাড়িয়ে ক্লাশ নিচ্ছেন শিক্ষক। রোদ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে, অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মাথায় বই। শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট করেই ক্লাশ করতে হচ্ছে। আবার আকাশে মেঘ দেখা দিলেই ছুটি। শিক্ষার্থীদের কষ্ট করার পাশাপশি সঠিক পাঠদান থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দাবী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ যদি দৃষ্টি দেন তাহলে হয়তো এ সমস্যা থেকে সকলেই রেহাই পাবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন জানান, ঝড়ে টিন বিধবস্ত হয়ে যাওয়ার পর থেকে খোলা আকাশের নিচে ক্লাশ নিতে হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। কখনো রোদে পুড়তে হয় অথবা কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ের নিজস্ব কোন অর্থায়ন না থাকায় কবে নাগাদ এ বিদ্যালয় মেরামত হবে তা নিয়ে খুবই দু:চিন্তায় আছেন বলে জানান তিনি।

ওই বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিফা খাতুন জানান, ঝড়ে আমাদের বিদ্যালয়ের টিনের চালা গুলো সব উড়ে গেছে। এতে করে রুম গুলোতে ক্লাশ করা যায় না। বাধ্য হয়ে আমাদের খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে ক্লাশ করতে হচ্ছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান গুলোকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার আলী শাহ জানান, আমি কয়েকদিন থেকে ছুটিতে ঢাকায় থাকার কারনে বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে দুই একদিনের মধ্যে ঢাকা থেকে ফিরে যাবো। গিয়েই ওই বিদ্যালয়ের খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

  • সর্বশেষ