প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনগরে কুশিয়ারা নদীতে তীব্র ভাঙন, চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবলে উত্তরভাগ ও ফতেহপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে। উত্তরভাগ ইউনিয়নের কালারবাজারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে ফতেহপুর ইউনিয়নের তিনটি পরিবারের ভিটেমাটি কুশিয়ারাতে তলিয়ে গেছে।

ওই গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়ি কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। এছাড়াও কুশিয়ারাতীরের কামালপুর, সুরিখাল, সুনামপুর, কেশরপাড়া, উমরপুর, জাহিদপুর, তুলাপুরসহ ১০-১২টি গ্রামে ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। শনিবার ভাঙনকবলিত বেড়কুড়ি গ্রামে গেলে ভিড় করেন ভাঙন সন্ত্রস্ত গ্রামবাসী।

এদের কারো ভিটে কুশিয়ারা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ভাঙতে ভাঙতে কারো উঠোনের কাছে চলে এসেছে নদী। কারো বাড়ির পাশে ফাটল দিয়েছে। অনেকেই অন্যত্র সরে গেছেন। কেউ কেউ সরে যাওয়ার পাঁয়তারা করছেন। বেশির ভাগই ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। গ্রামের শৈলেশ চন্দ্র দাস, বিধুভূষণ দাস ও নর্মদা দাসের ভিটা এরইমধ্যে কুশিয়ারা নদীতে হারিয়ে গেছে।

উত্তরভাগ ইউনিয়নের কালারবাজার ও কামালপুর গ্রামের বেশ কিছু এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিগত অর্থবছরে কালারবাজারে কিছু কাজ হলেও তা নদীগর্ভে চলে গেছে। ওই এলাকার সাধারণ মানুষ বারবার পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করছেন। তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ফলে ভাঙনকবলিত এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক রয়েছে।

এদিকে ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেড়কুড়ি গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে গত ৩১ জানুয়ারি স্থানীয় সাংসদ (মৌলভীবাজার-৩ আসন) সৈয়দা সায়রা মহসিনের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সাংসদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীকে সুপারিশ করেছেন।

পাউবো মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, কুশিয়ারা অনেক বড় নদী। কুশিয়ারাতে অস্থায়ী কাজ টিকবে না। কুশিয়ারার ভাঙনরোধে করতে স্থায়ী কাজ করতে হবে। কুশিয়ারার স্থায়ী বাঁধের জন্য ৪০০ কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট প্রস্তাব করেছি। কারিগরি কমিটি অনুমোদন হয়ে গেছে। এবার আর কাজ হবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত