প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারী বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসাতে হবে: মেনন

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই প্রাইভেট ও পাবলিক পার্টনারশিপ কর্মসূচীর আওতায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারী খাতে বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

শনিবার এফডিসিতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথমবারের মত আয়োজিত ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হলে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে, না হলে অনেক ভালো উদ্যোগও কাংঙ্খিত সফলতা অর্জন করতে পারে না। মূলধারার উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধী ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করনের অংশ হিসেবে অর্šÍভুক্তি মূলক শিক্ষা চালু করা হয়েছে। সরকার তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে নানামূখী কাজ করছে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় পর্যাপ্ত অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, এমপি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

উদ্বোধনী প্রতিযোগিতায় “সচেতনতাই পারে দৃষ্টি-প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে”-শীর্ষক বিতর্কে সরকারি দল ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় (অপরাজেয় বাংলা) ও বিরোধী দল জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ এবং ইডেন মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করছে।

বেসরকারী টেলিভিশন এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, কেউ ভালো গান গাইতে পারলে এবং ভালো কালচারাল জ্ঞান থাকলে তাকে এটিএন বাংলায় চাকরি দেয়া হবে। প্রতিন্ধীদের প্রতিভা বিকাশে এটিএন বাংলায় বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এছাড়া প্রতিবন্ধীদেরকে সহায়তা করার জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দৃষ্টি-প্রতিবন্ধীদের জন্য এখনও প্রয়োজনীয় শিক্ষার পরিবেশ ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের জন্য নেই উঠানামার র‌্যামপ। সরকারিভাবে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ব্রেইল পদ্ধতিতে বই পাওয়া গেলেও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চ শিক্ষাগ্রহণে এখনও ব্রেইল বই বা বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান নেই। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের বাজারে প্রতিবন্ধী ভাতা মাত্র ৭০০ টাকা, যা অত্যন্ত অপ্রতুল। এ ছাড়াও দেশের সকল প্রতিবন্ধীকে এই ভাতার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত