প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা

বাগেরহাটের পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মোড়েলগঞ্জে ও শরণখোলায় উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের সীমাহিন অনিয়ম – দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা ।

অপরদিকে আকাশের মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এসব দেখবে কে? একটু ঝড়ো-হওয়ার সাথে সাথেই বিদ্যুৎ চলে যায়। কখন ফিরে আসবে এর নিশ্চয়তা দিতে পারেনা সংশ্লিস্ট বিদ্যুৎ অফিস। শুধু মেঘ দেখলেই নয়, সারাদিন-রাত ইচ্ছামত সময়ে অসময়ে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া এখন বিদ্যুৎ অফিসের নিয়মে পরিণত হয়েছে। এছাড়া বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের হয়রানী তো লেগেই আছে।

মোড়েলগঞ্জে ও শরণখোলায় উপজেলায় পল্লীবিদ্যুৎতের ঘন ঘন লুকোচুরি খেলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। দিন-রাত যে কতবার বিদ্যুৎ আসে যায় তা হিসেব পাওয়া যায় না। এই আছে, এই নেই। বিদ্যুতের এমন লুকোচুরি খেলাকে স্থানীয়রা বলছেন মিসকল। একদিনের নয়, নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ভোগান্তি। ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুতের ঘন ঘন মিসকলের কারণে কম্পিউটার, ফ্রিজ, পানির মোটর, ফটোকপি মেশিনসহ বিদুৎ চালিত যন্ত্রপাতি বিকলসহ বহু মুল্যেবান জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর সাথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা লেখা-পড়ায় চরম বেকায়দায় পড়েছে।

ভূক্তভোগিরা জানান, অন্ধকারে কাটাতে হয় অনেক সময় পর্যন্ত। গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত, প্রেসক্লাব,স্কুল, কলেজ, বিভিন্ন কারখানায় সময় মতো বিদ্যুৎ না থাকায় কাজের ভোগান্তির পোহাতে হয়। বিদুৎ গ্রাহকরা জানান, নির্দিষ্ট সময়ে লোডশেডিং হলে আমরা আগেভাগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে পারতাম। এ অবস্থায় লোডশেডিং চলতে থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাই ভালো।

মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের সীমাহীন লোড সেডিংয়ের কারণে ব্যসায়ীদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান তারা । ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বিদ্যুতের মিসকল ও ভেলকিবাজি থেকে মুক্তি চায় সাধারণ মানুষ। এবিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বিদ্যুতের নানান অজুহাত।

এছাড়াও বিদ্যুৎ বিল বেশি নিয়ে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক লেগেই আছে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিস্টদের। আমার নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ১,শ ৫০ ইউনিটের মার্চ মাসে বিল করেছে ২৮০০ শ টাকা। আর বাড়ীর বিল করেছে ২২০০ শ টাকা। এটা শুধু আমাকে দিয়েই উদাহরণ দিলাম এরকম কত ভুক্তভোগি আমাদের নিকট বিদ্যুৎ বিল বেশি দেওয়া নিয়ে অভিযোগ নিয়ে আসে তা বলে বুঝাতে পারবো না।

মোড়েলগঞ্জে ও শরণখোলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এরকম সিমাহীন অনিয়মের কারণে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা অতিস্ট। এব্যাপারে ভুক্তভোগীরা বিদ্যুৎ সংশ্লিস্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ