প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডিএনসিসির নির্ধারিত স্থানের বাইরে পোস্টার লাগানো ও দেয়াল লিখন চলছেই

উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় পোস্টার লাগানোর জন্য ৫২ স্পট নির্ধারন করলেও থামানো যাচ্ছে না দেয়ালে লেখা ও পোস্টার লাগানোর প্রতিযোগিতা। তাই শিগগিরি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।

নগরীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ৫২ টি স্পট নির্ধারন করে ডিএনসিসি। এরই মধ্যে গুলশান শুটিং ক্লাব, খামারবাড়ি, উত্তরা, মিরপুর, মহাখালী, ফার্মগেট, আসাদগেট ও ধানমন্ডিসহ ২০ স্থানে গত ২১জানুয়ারি প্রাথমিকভাবে বোর্ড স্থাপন করেছে ডিএনসিসির বর্জ্য বিভাগ। কিন্তু সেখানে পোস্টার লাগাতে কারো আগ্রহ দেখা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, অসাদগেটে দুপাশে স্টিলের দুটি স্টান্ড দিয়ে একটি বোর্ড লাগানো হয়েছে। যেখানে পোস্টার লাগানোর নিয়মে লেখা রয়েছে দড়িতে পোষ্টার লাগিয়ে হুকের সাথে দড়ি টানিয়ে দিতে হবে, পোষ্টারের মাপ হবে ১৮ বাই ২৪ ইঞ্চি। বিনা ভাড়ায় সবাই ৭ দিনের জন্য সেখানে পোস্টার লাগাতে পারবে। করপোরেশনের কর্মীরাই তা পরিস্কার করবে। এছাড়া আরও লেখা রয়েছে নির্ধারিত স্থান ব্যতীত পোস্টার লাগানো দন্ডনীয় অপরাধ।

কিন্তু এসব নির্ধারিত স্থানে পোস্টার ও দেয়াল লেখার তেমন কোন কার্যক্রম নেই। সেখানে হাতে গোনা দুই একটি পোষ্টার লাগানো রয়েছে। এর বাইরে বাসা বাড়ির দেয়াল, ফ্লাইওভারের পিলারসহ পুরোনগর জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন, সিনেমার পোষ্টার, কোচিং সেন্টার ও হারবাল ওষুধের বিজ্ঞাপন।

এবিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক কমোডর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অবৈধ ও অননুমোদিত সাইনবোর্ড, পোস্টার, ফেস্টুন ও ওভারহেড সাইনবোর্ড অপসারণ না করায় এর আগে ৬টি কোচিং সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অফিস ও ব্যক্তির নামে পোস্টার লাগানোয় জরিমানা করা হয়েছে। এবার নির্ধারিত স্থানের বাইরে পোস্টার লাগানোর বিরুদ্ধে শিগগিরি দেয়াল লিখন ও পোস্টার নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শুধু পোস্টারই নয় বাড়ছে দেয়াল লেখা বিজ্ঞাপন। এর মধ্যে ইঁদুর ও তেলাপেকা মারার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ার মত। বিভিন্ন দেয়ালে দেখা যায় অরেঞ্জ, ক্লাসিয়া, এসি, জাহান, রোমিও, রোমারিও, কুইক ফিনিসসহ বিভিন্ন পেষ্ট কন্ট্রোলের বিজ্ঞাপন।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলি সরদার বলেন, আমরা শুধু ব্যবসার লাইসেন্স দেই, কাউকে শহর নষ্ট করার লাইসেন্স দেই না। তারা বিজ্ঞাপনে শুধু মাত্র একটি মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে তাদের কোন অফিস নেই এজন্য তাদের কে খুজে পাওয়া যায় না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত