প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আন্তঃকোরিয় বৈঠকের আগে মুনকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে

আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তঃকোরিয় বৈঠক দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি মুন জায়ে’র জন্য এক অগ্নি পরীক্ষার মতই চ্যালেঞ্জিং হবে। আগামী সপ্তাহে সীমান্ত গ্রাম পানমুজামে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এটি তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যর্থতায় পরিণত হতে পারে তবে যদি তিনি সফল হন তবে কোরিয়ার ইতিহাসে চিরকালের জন্য অমর হয়েই থাকবেন মুন। সম্ভাব্য সকল বিচারে মুন সম্মেলন পূর্ববর্তী সময়ে সবচাইতে বেশী মানসিক এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের চাপে রয়েছেন।

মুন চান কোরিয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি, কারণ ১৯৫৩ সালে কোরিয় যুদ্ধ অমীমাংসিতভাবে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সমাপ্তি টানে। পরবর্তিতে, কোন শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর না হওয়ায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে দুই কোরিয়া।

শান্তিচুক্তিতে উত্তর কোরিয়াকে রাজি করানোর পূর্বে শান্তির পায়রা মুনকে অবশ্যই তার প্রতিপক্ষ ও যুদ্ধংদেহী নেতা কিম জন ঊনকে সম্পূর্ণরুপে পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণে রাজি করাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র মূলত উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রকল্পের নিরস্ত্রীকরণের শর্তেই আন্তঃকোরিয় শান্তি আলোচনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে এই শর্তে উত্তর কোরিয়াকে রাজী করানোর পূর্বে অবশ্যই দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার মিত্রদের পক্ষ থেকে সকল ধরণের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা থেকে সুরক্ষার নিশ্চয়তাও কিমকে দিতে হবে।

আবার আগামী সপ্তাহের আলোচনা যে সামনের ট্রাম্প-কিম সম্মেলনের প্রাথমিক ধাপ এই বিষয়টিও মুনকে মাথায় রাখতে হচ্ছে। সিউল মূলত ওয়াশিংটন এবং পিয়ংইয়ং’য়ের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্ততাকারীর ভূমিকা পালন করছে। সুতরাং, ওয়াশিংটনের অগ্রীম প্রতিশ্রুতি ব্যতীত কিমকে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেয়ার ব্যাপারে মুনকে সতর্ক থাকতে হবে।

অতীতের ব্যর্থ সকল আন্তঃকোরিয় শান্তি আলোচনার ইতিহাস মাথায় রেখে এবার তাই ঠা-া মাথায় এই শত্রুতামূলক পরিস্থিতি থেকে দুই কোরিয়ার উত্তরণ চান মুন, তবে এই জন্য তাকে আলোচিত সকল বাঁধার পাহাড়কেই ডিঙ্গিয়ে যেতে হবে। দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত