প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উৎপাদন বাড়লেও হতাশ ফরিদপুরের পেঁয়াজ বীজ চাষিরা

ডেস্ক রিপোর্ট: অনুকূল আবহাওয়া ও মাটির কারণে ফরিদপুর জেলা পেঁয়াজ বীজ চাষের জন্য বিখ্যাত। দিন দিন বাড়ছে সারাদেশে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই বীজের আবাদ। তবে সময়মতো ঋণ সুবিধা না পাওয়া এবং বিএডিসি’র সরাসরি বীজ না কেনা নিয়ে অভিযোগ করেছেন চাষিরা। যদিও এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় বিএডিসি ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

ভালোমানের পেঁয়াজ উৎপাদনে ফরিদপুর জেলার সুনাম দীর্ঘদিনের। সারাদেশের পেঁয়াজের বীজের চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে এখানকার চাষিরা। এবছরও জেলার ২ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজের আবাদ হয়েছে। যেখান থেকে ১ হাজার টনেরও বেশি বীজ উৎপাদিত হবে বলে ধারণা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। তবে সময়মতো ব্যাংকঋণ না পাওয়ায় এবং বিএডিসি সরাসরি বীজ না কেনায় হতাশ হয়েছেন চাষিরা।

তারা বলেন, পেঁয়াজ বীজ চাষে অনেক খরচ। কৃষি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণের ব্যবস্থা করা হলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো। অন্যদিকে বিএডিসি বীজ কিনলে আমরা ন্যায্য মূল্য পেতাম।

প্রয়োজনীয় ঋণ সরবরাহে কোনো অবহেলা থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা । আর কৃষকদের থেকে সরাসরি বীজ কিনতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে বলে জানান বিএডিসির স্থানীয় কর্মকর্তা।

ফরিদপুর সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ঋণের ক্ষেত্রে কেউ যদি হয়রানির শিকার হয় তবে আমাকে জানালে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিব।

ফরিদপুর বিএডিসি’র উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, এই বীজ চাষ শুরুর আগে বিএডিসি’র একটা অ্যাকশন প্ল্যান ছিল। এটা আপাতত বন্ধ আছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সেটা পুনরায় চালু করার চেষ্টা করব।

সরকারি সহযোগিতা ও পর্যাপ্ত ব্যাংকঋণ পেলে ফরিদপুরে পেঁয়াজ বীজের আবাদে আরো সাফল্য পাওয়া যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ