প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সৌদিতে নিহত ৬ বাংলাদেশির বাড়িতে শোকের মাতম

সাজিয়া আক্তার: সৌদি আরবের হাইল প্রদেশে অগ্নিকান্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। কিছুতেই যেন মৃত্যুর খবর মেনে নিতে পারছেন না। স্বজনদের নাম আহাজারি করে বার বার মুর্ছা যাচ্ছে। তাই তাদের সংসারের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু হয়েছে শংঙ্কা। দ্রুতই তাদের মরদেহ দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনরা। আহত ১ জনের এখনো শংঙ্কটাপূর্ণ অবস্থায়।

চার বছর আগে বড় ছেলে জসিম উদ্দিনকে সৌদি আরব নিয়ে যায় বাবা নেসার আহমেদ, এরপর যান ছোট ছেলে ইব্্রাহিমও। সবাই থাকতো হাইল প্রদেশের হুলাইফা শহরে, করতেন লেপ তোশকের ব্যবসা। হঠাৎ এক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে সব, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় নেসার আহমেদের দুই সন্তানের, নিহত জসিম ও ইব্রাহিমের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রিয় দুই সন্তানকে হারিয়ে থামছে না মায়ের কান্না। এ অবস্থায় দ্রুত তাদের মরদেহ দেশে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্বজনরা।

নিহতদের স্বজনেরা বলেন, আপনারা যেভাবেই পারেন জসিম ও ইব্রাহিমের লাশ দেশে আনার ব্যবস্থা করেন। সরকারের কাছে আবেদন তারা নিজ দায়ীত্বে যেনো লাশ দেশে আনার ব্যবস্থা করে।

দুর্ঘটনায় নিহত ফেনী রাশেদের বাড়িতেও শোকে কাতর স্বজনরা। ৩ মাস আগে বিদেশে পাড়ি জমান রাশেদ, একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে অন্ধকারে গোটা পরিবার।

নিহতের স্বজনরা বলেন, সব স্বজনরাদের কেউ চায় না এরকম কোনো মৃত্যু হোক, এজন্য সরকার যেনো দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। সরকারের কাছে আমার আবেদন তারা যেন দ্রুত মৃতদেহটাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়।
আগুনে পুরে মারা গেছেন কুমিল্লার বসন্তপুর গ্রামের শহীদুল, ইমরানুল মামুন, এবং চোদ্দগ্রামের ও শ্রীপুরগ্রামের মোহাম্মদ সোহেল।

গেল সপ্তাহে সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে আগুন লেগে মৃত্যু হয় ৮ বাংলাদেশির।

সূত্র: চ্যানেল ২৪

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত