প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর এপিএস সামসেদুল হক আর নেই

হুমায়ুন কবির খোকন : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন-এর সহকারী একান্ত সচিব কেএম সামসেদুল হক খোকন (৬২) বুধবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন কিডনী রোগে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, ছেলের বউ ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সাকো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর প্রটোকল কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন।

মরহুম খোকনের বাড়ী নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায়। তাকে বুধবার রাতেই পাঁচগাও গ্রামের পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হয়েছে। দাফনের আগে নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসন তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। জনাব খোকনের মৃত্যুর পর পরই সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন হাসপাতালে যান এবং পরিবারের সদস্যদের সাত্ত¡না দেন। তিনি এক শোকবাণীতে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। মরহুম সামসেদুল হক খোকন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সকলের কাছে খোকন নামেই বেশি পরিচিত।

বীরমুক্তিযোদ্ধা খোকনের মৃত্যুতে তার কর্মস্থল সাকো-তে আজ বৃহস্পতিবার এক শোকসভার আয়োজন করা হয়। সাকো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন খোকনের কর্মময় জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন। শোকসভায় সাকো’র কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলেই মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, আমি পর পর ৪ বার সংসদ সদস্য ছিলাম। সামসেদুল হক খোকন বিভিন্ন সময় আমার নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিলেন। নির্বাচনী এলাকা কালকিনির আপামর জনতা তাকে চিনতো, জানতো এবং ভালবাসতেন। কারণ, তার সদাচরণ সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করতো। তাঁর অমায়িক ব্যবহার ও সৌম্য চেহারা তাকে নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিল। আমি ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৯ সালে যখন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ছিলাম- তখন তিনি আমর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ের যে কোনো মানুষের কাছে তাঁর ছিল অবাধ বিচরণ। তিনি নিজস্ব চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্যের কারণে সকলের সাথে সখ্যভাব তুলতে পারতেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত