প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মৌলভীবাজারে আগর শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : আমু

স্বপ্না চক্রবর্তী : সিলেটের মৌলভীবাজারে একটি ‘আগর শিল্পপার্ক’ স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, রপ্তানি বাজারে আগর শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এ পার্ক স্থাপন করা হবে। এ উদ্যোগ বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) বার্ষিক সম্মেলন-২০১৮ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (স্কিটি) মিলনায়তনে আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহ: ইফতিখার। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুুল্লাহ্, অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ ও বিসিকের পরিচালক জীবন কুমার চৌধুরী।

এসময় শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতির কাক্সিক্ষত লক্ষ অর্জনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান সরকার সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এলাকাভিত্তিক কাঁচামাল ও সম্ভাবনা কাজে লাগানোর নীতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে যেখানে বিসিক শিল্পনগরি নেই, সেখানে বিসিক শিল্পনগরির জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ দেয়া হবে। ফলে এলাকাভিত্তিক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পায়ন কার্যক্রম জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার হাজারিবাগ থেকে সাভার চামড়া শিল্পনগরিতে ট্যানারি স্থানান্তরে সক্ষম হয়েছে। এটি বর্তমান সরকারের একটি বড় অর্জন। বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে রপ্তানি উত্তোরত্তর বাড়ছে। শুধু তাই নয় পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বে অষ্টম স্থান দখল করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে চামড়া শিল্পখাতে রপ্তানির পরিমাণ তৈরি পোশাক শিল্পখাতকে ছাড়িয়ে যাবে। তিনি ওষুধ, প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশল এবং কেমিক্যাল শিল্পখাতের উন্নয়নে গৃহিত প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে তৎপর হতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তাগিদ দেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

দু’দিন ব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনে বিসিকের মাঠ পর্যায়ের দুই শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। তারা সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে শিল্পনগরিভিত্তিক সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে বিসিকের কার্যক্রম গতিশীল করার কৌশল প্রণয়ন করবেন। এর ফলে দেশব্যাপী টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ