Skip to main content

ঝিনাইদহ আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিসে দুর্নীতি

সাজিয়া আক্তার: ঝিনাইদহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা অনিয়ম। সেবার পরিবর্তে পাসর্পোট নিয়ে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আবেদনকারিদের। কর্মকর্তাদের একটি চক্র আর দালালরা হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। অভিযোগ উঠেছে সহকারি কর্মকর্তা থেকে অফিসের সাধারণ কর্মকর্তাদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হচ্ছে এই অতিরিক্ত অর্থ। অভিযোগকারিরা বলছেন, আট’শ টাকা করে দিলেই তারা কাগজ জমা নিয়ে নেয়। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা বলছে এই রেফারেন্সটা দিয়েছি, এই রেফারেন্স দিলেই এশিয়া ব্যাংক এটা ঠিক করে দিবে, আর তাহলেই পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। সহকারি পরিচালক আব্দুর রশিদের কক্ষে লেখা আছে ৩ টি বিকাশ নম্বর, আর মোবাইলে ধারনকরা ভিডিও ফুটুজে দেখা গেল অফিস সহায়ক মেহেদী হাসান নিজেই একজন আবেদন কারির কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। তবে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এই অফিস সহায়ক। ঝিনাইদহ পাসপোর্টের অফিস সহায়ক মেহেদী হাসান বলেন, এইরকম কোনো টাকা আমি কারো কাছ থেকে নেয়নি। আর যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে তখন আপনারা বলতে পারেন যে আমি টাকা নিয়েছি। দালাল সিনডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কথাটি অশ্বিকার করলেন সহকারি পরিচালকও। ঝিনাইদহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারি পরিচালক বজলুর রশিদ বলেন, দালাল সিন্ডিকেট পুরো নিয়ন্ত্রণে। এখানে দালালের কোনো প্রশ্নই আসে না, এই অফিসে দালাল ঢুকতেই পারে না। আমরা ১০০% সেবা দানের চেষ্টা করছি। তারপরেও যে মানুষের কিছু কিছু অভিযোগ আছে তা আমরা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করছি। নিয়ম অনুযায়ী ১৫ কার্য দিবসে সাধারণ পাসপোর্ট ও ৭ কার্য দিবসে জরুরি পাসপোর্ট দেওয়ায় বিধান থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। সূত্র: ডিবিসি